Dhaka ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী

মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন জয়া, তবুও থাকেন ফিট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ৭ Time View

অনলাইন ডেস্ক : দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন জয়া আহসান। এই মুহূর্তে তার দম ফেলার ফুরসৎ নেই। বাংলাদেশ তো বটেই টলিপাড়াতেও একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে চলেছেন জয়া।

কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে ডিয়ার মা, যেটি অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে দর্শকমহলে। আগামীকাল (১ অগাস্ট) মুক্তি পাবে পুতুল নাচের ইতিকথা। এরই সঙ্গে শ্যুটিং চলছে অর্ধাঙ্গিনী ২-এর। সব মিলিয়ে ভীষণ ব্যস্ত জয়া।

কলকাতায় কাজের সূত্রে অহরহ যাতায়াত নায়িকার। এটা তার সেকেন্ড হোম বলা চলে। সম্প্রতি সেখানকার এক অনুষ্ঠানে এসে জয়া জানালেন ওপার বাংলার কোন কোন মিষ্টি খেতে তিনি ভালোবাসেন।

এমনিতে জয়ার অভিনয়ের পাশাপাশি তার রূপের আগুনে জ্বলছে পুরুষমহল। বয়স যতই হোক না কেন, তা বোঝার উপায় একেবারেই নেই। নিজেকে কোন যাদুবলে ফিট রাখেন জয়া, তার সিক্রেট এখনও জানা যায়নি।

জয়ার ফিট থাকার রহস্য অজানা হলেও তিনি মিষ্টি খেতে ভালোবাসেন, এই সিক্রেট আর গোপন থাকল না। অন্য বাঙালিদের মতোই জয়াও মিষ্টিপ্রেমী। জয়ার প্রিয় মিষ্টির তালিকায় রসগোল্লা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আরও তিন জনপ্রিয় মিষ্টি।

জয়া জানিয়েছেন তিনি চমচম, বেকড রসগোল্লা এবং নলেন গুড়ের যে কোনও মিষ্টি খেতেই ভালোবাসেন। যদিও তার ফিগার দেখলে মনে হতেই পারে যে জয়া একেবারেই মিষ্টি ছুঁয়ে দেখেন না। কিন্তু তিনি যে এত মিষ্টি ভালোবাসেন তা জানা ছিল না।

অভিনেত্রীর পুরোনো এক সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, তিনি আগে মিষ্টি খেতে একেবারেই ভালোবাসতেন না। কিন্তু কলকাতা তাকে মিষ্টি খাওয়া শিখিয়েছে। আর এখন কলকাতায় এলেই মিষ্টি খান জয়া। বিশেষ করে মতিচুরের লাড্ডু তার বিশেষ প্রিয়।

কলকাতা থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় বাঙালি মিষ্টি ভরে ভরে নিয়ে যান নায়িকা। অনেকেই তার থেকে এই শহরের বিভিন্ন মিষ্টি নিয়ে যাওয়ার আবদার করে থাকেন।

জয়া একবার মজার ছলেই বলেছিলেন, তিনি কারোর সঙ্গে মিষ্টি শেয়ার করে খান না। মন ভরে মিষ্টি খেয়েও বছরের পর বছর ধরে তার চাবুক ফিগার ধরে রেখেছেন। নিয়মিত ব্যায়াম, যোগাসনই যেন সেই ফিগারের পেছনের রহস্য।

Bangla Photocard Generatorv3.7

পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায়

মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন জয়া, তবুও থাকেন ফিট

Update Time : ০৫:১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন জয়া আহসান। এই মুহূর্তে তার দম ফেলার ফুরসৎ নেই। বাংলাদেশ তো বটেই টলিপাড়াতেও একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে চলেছেন জয়া।

কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে ডিয়ার মা, যেটি অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে দর্শকমহলে। আগামীকাল (১ অগাস্ট) মুক্তি পাবে পুতুল নাচের ইতিকথা। এরই সঙ্গে শ্যুটিং চলছে অর্ধাঙ্গিনী ২-এর। সব মিলিয়ে ভীষণ ব্যস্ত জয়া।

কলকাতায় কাজের সূত্রে অহরহ যাতায়াত নায়িকার। এটা তার সেকেন্ড হোম বলা চলে। সম্প্রতি সেখানকার এক অনুষ্ঠানে এসে জয়া জানালেন ওপার বাংলার কোন কোন মিষ্টি খেতে তিনি ভালোবাসেন।

এমনিতে জয়ার অভিনয়ের পাশাপাশি তার রূপের আগুনে জ্বলছে পুরুষমহল। বয়স যতই হোক না কেন, তা বোঝার উপায় একেবারেই নেই। নিজেকে কোন যাদুবলে ফিট রাখেন জয়া, তার সিক্রেট এখনও জানা যায়নি।

জয়ার ফিট থাকার রহস্য অজানা হলেও তিনি মিষ্টি খেতে ভালোবাসেন, এই সিক্রেট আর গোপন থাকল না। অন্য বাঙালিদের মতোই জয়াও মিষ্টিপ্রেমী। জয়ার প্রিয় মিষ্টির তালিকায় রসগোল্লা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আরও তিন জনপ্রিয় মিষ্টি।

জয়া জানিয়েছেন তিনি চমচম, বেকড রসগোল্লা এবং নলেন গুড়ের যে কোনও মিষ্টি খেতেই ভালোবাসেন। যদিও তার ফিগার দেখলে মনে হতেই পারে যে জয়া একেবারেই মিষ্টি ছুঁয়ে দেখেন না। কিন্তু তিনি যে এত মিষ্টি ভালোবাসেন তা জানা ছিল না।

অভিনেত্রীর পুরোনো এক সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, তিনি আগে মিষ্টি খেতে একেবারেই ভালোবাসতেন না। কিন্তু কলকাতা তাকে মিষ্টি খাওয়া শিখিয়েছে। আর এখন কলকাতায় এলেই মিষ্টি খান জয়া। বিশেষ করে মতিচুরের লাড্ডু তার বিশেষ প্রিয়।

কলকাতা থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় বাঙালি মিষ্টি ভরে ভরে নিয়ে যান নায়িকা। অনেকেই তার থেকে এই শহরের বিভিন্ন মিষ্টি নিয়ে যাওয়ার আবদার করে থাকেন।

জয়া একবার মজার ছলেই বলেছিলেন, তিনি কারোর সঙ্গে মিষ্টি শেয়ার করে খান না। মন ভরে মিষ্টি খেয়েও বছরের পর বছর ধরে তার চাবুক ফিগার ধরে রেখেছেন। নিয়মিত ব্যায়াম, যোগাসনই যেন সেই ফিগারের পেছনের রহস্য।

Bangla Photocard Generatorv3.7