Dhaka ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী

রেস্টুরেন্টে খেতে গেলেও ব্যাগে যে খাবার নিয়ে যান সুস্মিতা সেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
  • ৬ Time View

অনলাইন ডেস্ক : ভারতীয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। আর পাঁচজন বাঙালির মতোই খেতে ভীষণ ভালোবাসেন। একটা সময় দিল্লিতেও ছিলেন। বাংলা এবং দিল্লির খাবারের বৈশিষ্ট্য এটাই, দুই জায়গাতেই স্পাইসি খাবার পাওয়া যায়। ফলে সুস্মিতা সেনের টেস্টবাডও স্পাইসি খাবারের দিকেই ঝুঁকে থাকে বেশি।

ঝাল, মশলা ছাড়া খাবার তৈরি হলে তিনি মোটেই মুখে তুলতে পারেন না। কলকাতা, দিল্লির পর ইউরোপে কয়েক বছর কাটিয়েছেন সুস্মিতা। ইউরোপের খাবারে ঝালের আধিক্য কম। মূলত সেদ্ধ খাবারই পাওয়া যায় বেশি। ফলে প্রথম প্রথম কোনও রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে খুবই হতাশ হতেন সুস্মিতা।

তার মুখের রুচি হারিয়ে যেত। খেতে পারতেন না। তিনি যে মস্ত ‘ফুডি’। ভালো করে খাওয়ার জন্য ব্যাগের মধ্যে আগে থেকেই সস নিয়ে যেতেন। খাবার আসলেই তাতে ছড়িয়ে দিতেন সেই সস।

পুরনো এক সাক্ষাৎকারে সেই গল্পই হাসতে হাসতে করেছিলেন সুস্মিতা আর বলেছিলেন, ‘আমি বাঙালি মেয়ে, দিল্লিতে বড় হয়েছি। সব খাবারেই ঝাল, ঝোল, মশলা। তাই খেয়েই আমি অভ্যস্ত। তবে ইউরোপে গিয়ে মহা বিপদে পড়েছিলাম।’

তার কথায়, ‘দেখি সব খাবারই মশলা বিহীন। একদম খেতে পারতাম না। এর উপায় বের করেছিলাম। ব্যাগে করে সস নিয়ে ঘুরতাম। যখনই খেতে বসতাম, তাতে ছড়িয়ে নিতাম সস। খাওয়া হয়ে যেত।’

নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো, এমনটাই বিশ্বাস করেন সুস্মিতা। মশলাহীন খাবারকে সুস্বাদু করে তুলতে বেছে নিয়েছিলেন সস। তার সেই অভ্যাস আজও যায়নি। এ দেশের রেস্টুরেন্টে খেতে গেলেও ব্যাগের মধ্যে সসের পাতা নিয়ে ঘোরেন।

Bangla Photocard Generatorv3.7

পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায়

রেস্টুরেন্টে খেতে গেলেও ব্যাগে যে খাবার নিয়ে যান সুস্মিতা সেন

Update Time : ০৫:০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : ভারতীয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। আর পাঁচজন বাঙালির মতোই খেতে ভীষণ ভালোবাসেন। একটা সময় দিল্লিতেও ছিলেন। বাংলা এবং দিল্লির খাবারের বৈশিষ্ট্য এটাই, দুই জায়গাতেই স্পাইসি খাবার পাওয়া যায়। ফলে সুস্মিতা সেনের টেস্টবাডও স্পাইসি খাবারের দিকেই ঝুঁকে থাকে বেশি।

ঝাল, মশলা ছাড়া খাবার তৈরি হলে তিনি মোটেই মুখে তুলতে পারেন না। কলকাতা, দিল্লির পর ইউরোপে কয়েক বছর কাটিয়েছেন সুস্মিতা। ইউরোপের খাবারে ঝালের আধিক্য কম। মূলত সেদ্ধ খাবারই পাওয়া যায় বেশি। ফলে প্রথম প্রথম কোনও রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে খুবই হতাশ হতেন সুস্মিতা।

তার মুখের রুচি হারিয়ে যেত। খেতে পারতেন না। তিনি যে মস্ত ‘ফুডি’। ভালো করে খাওয়ার জন্য ব্যাগের মধ্যে আগে থেকেই সস নিয়ে যেতেন। খাবার আসলেই তাতে ছড়িয়ে দিতেন সেই সস।

পুরনো এক সাক্ষাৎকারে সেই গল্পই হাসতে হাসতে করেছিলেন সুস্মিতা আর বলেছিলেন, ‘আমি বাঙালি মেয়ে, দিল্লিতে বড় হয়েছি। সব খাবারেই ঝাল, ঝোল, মশলা। তাই খেয়েই আমি অভ্যস্ত। তবে ইউরোপে গিয়ে মহা বিপদে পড়েছিলাম।’

তার কথায়, ‘দেখি সব খাবারই মশলা বিহীন। একদম খেতে পারতাম না। এর উপায় বের করেছিলাম। ব্যাগে করে সস নিয়ে ঘুরতাম। যখনই খেতে বসতাম, তাতে ছড়িয়ে নিতাম সস। খাওয়া হয়ে যেত।’

নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো, এমনটাই বিশ্বাস করেন সুস্মিতা। মশলাহীন খাবারকে সুস্বাদু করে তুলতে বেছে নিয়েছিলেন সস। তার সেই অভ্যাস আজও যায়নি। এ দেশের রেস্টুরেন্টে খেতে গেলেও ব্যাগের মধ্যে সসের পাতা নিয়ে ঘোরেন।

Bangla Photocard Generatorv3.7