Dhaka ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বাসসকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করা হবে : কাদের গনি চৌধুরী ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কার আনছে সরকার : মাহদী আমিন

১১৪ বছর বয়সেও সচল, জানালেন দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩ Time View

অনলাইন ডেস্ক : জাপানের মানুষেরা সাধারণত দীর্ঘায়ু হন। সেই সমস্ত দীর্ঘায়ু মানুষের এক অনন্য প্রতিনিধি শিগেকো। জাপানে সবচেয়ে বেশিদিন বাঁচার রেকর্ড ছিল মিয়োকো হিরোয়াসুর। তার প্রয়াণের পর থেকেই শিগোকোই হয়ে যান সেদেশের সবচেয়ে বেশি আয়ুসম্পন্ন মানুষ।

জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ শিগেকো কাগাওয়ার বয়স ১১৪ বছর। এই বয়সেও চলছে তার সক্রিয় জীবনধারা। তার প্রজ্ঞা ও দৈনন্দিন অভ্যাস অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। শতবর্ষী এই নারী শুধু বয়সে প্রবীণ নন, তার শারীরিক ও মানসিক সচলতাও প্রশ্ন জাগায়। ২০২১ সালে তিনি অলিম্পিক মশাল দৌড়ে অংশ নিয়েছিলেন। কী সেই গোপন সূত্র, যা তাকে এত দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন দিয়েছে? দীর্ঘায়ুর রহস্য জানতে চাইলে সাবেক এই প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জানালেন—সক্রিয় ও স্বাধীন জীবনযাপনই তার শক্তি।

৮৬ বছর বয়স পর্যন্ত চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শিগেকো। তখন পরিবহন সুবিধা সীমিত ছিল, তাই পায়ে হেঁটেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতেন। তিনি বলেন, আমি যখন চিকিৎসক ছিলাম, তখন তো এত গাড়ি-টাড়ি ছিল না, হেঁটেই এখান থেকে ওখান যেতে হত। আর এই কারণেই হয়ত এত শক্তিশালী ও সুস্থ থাকতে পেরেছি। আমার এনার্জি আমার সবচেয়ে বড় অ্যাসেট। আমি যেখানে খুশি যেতাম, যা খুশি খেয়েছি, যা খুশি করেছি, স্বাধীন থেকেছি আগাগোড়া।

তবে এলোমেলোভাবে নয়, বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবন কাটিয়েছেন তিনি। তার জীবনযাপনের একটা রুটিন ছিল। দিনে তিনবার নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে খাবার খেয়েছেন। ঠিক সময়ে শুতে গিয়েছেন, উঠেও পড়েছেন ঘড়ি ধরে। ফলে যা খুশি করে বেড়ালেও এক ছন্দবদ্ধ জীবন ছিল তার। আর সেই কারণেই হয়ত তিনি দীর্ঘায়ু হতে পেরেছেন- এমনটাই ভাবা যেতে পারে।

শিগোকো কাগাওয়ার আগে জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ ছিলেন হিরোয়াসু। তিনিও জানিয়েছিলেন, স্বতঃস্ফূর্ত জীবনযাপন করে যাওয়াটাই তাকে দীর্ঘ জীবন দিয়েছে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনিও কাগজ পড়েছেন, ছবি এঁকেছেন, তাস খেলেছেন। অর্থাৎ জীবনকে বেছে নিয়েছেন প্রাণভরে। আর এইভাবে বেঁচে থাকাটাই হয়ত দীর্ঘ জীবন দিয়েছে তাকে। যেমন দিয়েছে শিগোকোকেও।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ

১১৪ বছর বয়সেও সচল, জানালেন দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য

Update Time : ০৭:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : জাপানের মানুষেরা সাধারণত দীর্ঘায়ু হন। সেই সমস্ত দীর্ঘায়ু মানুষের এক অনন্য প্রতিনিধি শিগেকো। জাপানে সবচেয়ে বেশিদিন বাঁচার রেকর্ড ছিল মিয়োকো হিরোয়াসুর। তার প্রয়াণের পর থেকেই শিগোকোই হয়ে যান সেদেশের সবচেয়ে বেশি আয়ুসম্পন্ন মানুষ।

জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ শিগেকো কাগাওয়ার বয়স ১১৪ বছর। এই বয়সেও চলছে তার সক্রিয় জীবনধারা। তার প্রজ্ঞা ও দৈনন্দিন অভ্যাস অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। শতবর্ষী এই নারী শুধু বয়সে প্রবীণ নন, তার শারীরিক ও মানসিক সচলতাও প্রশ্ন জাগায়। ২০২১ সালে তিনি অলিম্পিক মশাল দৌড়ে অংশ নিয়েছিলেন। কী সেই গোপন সূত্র, যা তাকে এত দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন দিয়েছে? দীর্ঘায়ুর রহস্য জানতে চাইলে সাবেক এই প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জানালেন—সক্রিয় ও স্বাধীন জীবনযাপনই তার শক্তি।

৮৬ বছর বয়স পর্যন্ত চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শিগেকো। তখন পরিবহন সুবিধা সীমিত ছিল, তাই পায়ে হেঁটেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতেন। তিনি বলেন, আমি যখন চিকিৎসক ছিলাম, তখন তো এত গাড়ি-টাড়ি ছিল না, হেঁটেই এখান থেকে ওখান যেতে হত। আর এই কারণেই হয়ত এত শক্তিশালী ও সুস্থ থাকতে পেরেছি। আমার এনার্জি আমার সবচেয়ে বড় অ্যাসেট। আমি যেখানে খুশি যেতাম, যা খুশি খেয়েছি, যা খুশি করেছি, স্বাধীন থেকেছি আগাগোড়া।

তবে এলোমেলোভাবে নয়, বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবন কাটিয়েছেন তিনি। তার জীবনযাপনের একটা রুটিন ছিল। দিনে তিনবার নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে খাবার খেয়েছেন। ঠিক সময়ে শুতে গিয়েছেন, উঠেও পড়েছেন ঘড়ি ধরে। ফলে যা খুশি করে বেড়ালেও এক ছন্দবদ্ধ জীবন ছিল তার। আর সেই কারণেই হয়ত তিনি দীর্ঘায়ু হতে পেরেছেন- এমনটাই ভাবা যেতে পারে।

শিগোকো কাগাওয়ার আগে জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ ছিলেন হিরোয়াসু। তিনিও জানিয়েছিলেন, স্বতঃস্ফূর্ত জীবনযাপন করে যাওয়াটাই তাকে দীর্ঘ জীবন দিয়েছে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনিও কাগজ পড়েছেন, ছবি এঁকেছেন, তাস খেলেছেন। অর্থাৎ জীবনকে বেছে নিয়েছেন প্রাণভরে। আর এইভাবে বেঁচে থাকাটাই হয়ত দীর্ঘ জীবন দিয়েছে তাকে। যেমন দিয়েছে শিগোকোকেও।

Bangla Photocard Generatorv3.7