স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে রাজশাহী নগরবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরীর আমীর ড. মাওলানা কেরামত আলী ও মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আহসান বুলবুল।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা বার্তায় মহানগরী নেতৃবৃন্দ বলেন, এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে খুশীর সওগাত নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের দ্বারে সমাগত। ঈদুল ফিতর ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে শান্তি ও সহমর্মিতার অনুপম শিক্ষা দেয় এবং সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের জন্যে অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা যদি বাস্তব জীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম করতে পারি তাহলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব। নেতৃবৃন্দ ঈদুল ফিতরের এই দিনে রাসূলুল্লাহ সা. ও তাঁর সাহাবাগণের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের ভাষায় শুভেচ্ছা জানান, ‘তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’ অর্থ : মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনার নেক আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন। অসহায় মানুষকে সহযোগিতার মাধ্যমে এবার ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে এবং রমাদান মাসের প্রকৃত শিক্ষা ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিফলন ঘটিয়ে দেশে কল্যাণকামী সরকার বা নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বাংলাদেশে আমরা এমন এক সময় ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে যাচ্ছি যখন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিগত ১৬ বছর থেকে জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসা ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে দেশের মানুষ নতুনভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে জাতি শান্তি-স্বস্তির দেশ পেয়েছে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন। আর যারা পঙ্গুত্ববরণ করেছেন ও আহত হয়েছেন আমরা তাদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। দেশ থেকে স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তাদের দোসরেরা ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থেকে এদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেই যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং দেশবিরোধী সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। ন্যায়-ইনসাফপুর্ণ ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন না হওয়া পর্যন্ত সকলকে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।-খবর বিজ্ঞপ্তি
আপনার মতামত লিখুন :