Dhaka ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

ঋতুপর্ণার বাড়িতে ফেরদৌস লুকিয়ে নেই, জানালেন নায়িকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪
  • ৬ Time View

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ফেরদৌসের সঙ্গে ভারতীয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার বন্ধুত্বের খবর সবারই জানা। ঢাকায় এলে ফেরদৌসের বাড়িতে অতিথি হন ঋতুপর্ণা আর কলকাতায় গেলে ঋতুপর্ণার বাড়িতে ফেরদৌস।

দেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না চিত্রনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় নন তিনি। হঠাৎ গত দুইদিন ধরে শোবিজ পাড়ায় গুঞ্জন ওঠে ভারতের কলকাতায় প্রিয় বন্ধু টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এ অভিনেতা।

তবে খবরটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা নিজেই। ঋতুপর্ণা জানান, তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরে আছেন। ১৪ আগস্ট পর্যন্ত তার কাজ ছিল, এরপরই তিনি সিঙ্গাপুর গেছেন। ফেরদৌস প্রসঙ্গ উঠতেই ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আমার কানেও খবরটা এসেছে। আমাদের দুজনের এমন একটা ছবি দিয়ে খবরটা প্রচার করা হচ্ছে, যে ছবিটা কিছুদিন আগে একটা শোতে তোলা। ফেরদৌস তো আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু, এটা তো সবাই জানেন। শেষবারও যখন ঢাকায় গেলাম, ওর বাসায় গিয়েছি। সেও কলকাতায় এলে আমার বাসায় আসে। আমাদের নিয়মিত যাতায়াত আছে। সত্যি কথা বলতে এই ঘটনার পর যোগাযোগ করতে পারিনি।’

ফেরদৌসের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানেন না ঋতুপর্ণা। তিনি বলেন, ‘আমি জানিও না ফেরদৌস এখন কী অবস্থায় আছে। দেশ থেকে বেরিয়েছে কি না, তাও জানি না। শুধু এটুকুই চাইছি, ও যেন ভালো থাকে, সুস্থ থাকে, সাবধানে থাকে। কারণ, মানুষ হিসেবে ফেরদৌস খুব ভালো। ওর দেশে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কী হয়েছে, কিন্তু সে তো একজন ভালো মানুষ, চলচ্চিত্রের একজন বড় তারকা, একজন শিল্পী, অসাধারণ একটা সুন্দর মন আছে ওর। সত্যি বলতে, নির্বাচনের সময়ও ফেরদৌস আমাকে বলেছিল, আমি ভালো কাজ করতে চাই। মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে চাই। সে জন্যই নির্বাচন করতে এসেছিল। যাহোক, ওর দেশে এখন অন্য রকম একটা পরিস্থিতি হয়েছে- আমি ভাবতে চাই, ফেরদৌস যেখানেই থাকুক নিরাপদে এবং ভালোভাবে আছে।’

ফেরদৌসের সঙ্গে এর মধ্যে যোগাযোগ হয়নি বলেও জানান ঋতুপর্ণা। তবে ভালোভাবে আছে, সুস্থ আছে- এটাই ভাবতে চান তিনি।

ঋতুপর্ণা বলেন, ‘হঠাৎ শুনি, ফেরদৌস আমার ভারতের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে, এটা কেমন প্রোপাগান্ডা! এসব প্রোপাগান্ডা যারা ছড়াচ্ছে, তারা অবশ্য ছড়াবেই, তাদের মুখ তো বন্ধ করা যাবে না। আমি বলতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে আমার খুব ভালো একটা সম্পর্ক। ফেরদৌস আমার একজন ভালো বন্ধু, কিন্তু এ কথাটা তো একদমই এমন নয় যে সে দেশ ছেড়ে বেরিয়ে আমার বাড়িতে গেছে! আমার মনেও হয় না, সে দেশ থেকে বেরিয়েছে, বের হলে আমরা তো জানতে পারতাম। বিষয়টা তো এমন নয় ফেরদৌস অপরিচিত মুখ। তার মতো মানুষ, দেশ থেকে বের হলে এমনিতে সবাই জানতে পারবে যে দেশ থেকে বেরোচ্ছে। আমার পরিষ্কার কথা, সে যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক, বাংলাদেশেরও সবাই ভালো থাকুক।’

বাংলাদেশে শান্তি ফিরে আসুক এমনটা কামনা করে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘অনেকগুলো খবর আসছে যে বাংলাদেশের অনেক জায়গায় মানুষ অত্যাচারিত হচ্ছে। ঘরবাড়ি পুড়ে যাচ্ছে। আমি চাইব যে সেখানে এ ধরনের লুটতরাজ, মারামারি ও হানাহানি মোটেও কাম্য নয়। বাংলাদেশে শান্তি ফিরে আসুক। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের বড় প্রিয় জায়গা। বাংলাদেশের মতো এত সুন্দর সোনার বাংলা যেন সোনার বাংলার মতোই থাকে। সব ঠিক হয়ে যাক, এটাই চাই। একটা দেশে নানা মতের মানুষ থাকবে, এটাই সেই দেশের গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য। সবার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা থাকাটাই সেই দেশের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য। সবাই মিলেমিশে থাকাটাই তো বড় কথা।’

১৯৯৮ সালে বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত যৌথ প্রযোজনার ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমায় অভিনয় করে আলোচনায় আসেন ফেরদৌস। এই সিনেমার জন্য ‘শ্রেষ্ঠ অভিনেতা’ হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এর পর থেকে কলকাতার সিনেমায়ও অভিনয় করেন তিনি। ২০০১ সালে ‘ওস্তাদ’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন ঋতুপর্ণার সঙ্গে। এরপর অনেক সিনেমায় জুটি হয়েছেন ঋতুপর্ণা-ফেরদৌস। কাজের সূত্রে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ঋতুপর্ণার বাড়িতে ফেরদৌস লুকিয়ে নেই, জানালেন নায়িকা

Update Time : ০৫:০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ফেরদৌসের সঙ্গে ভারতীয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার বন্ধুত্বের খবর সবারই জানা। ঢাকায় এলে ফেরদৌসের বাড়িতে অতিথি হন ঋতুপর্ণা আর কলকাতায় গেলে ঋতুপর্ণার বাড়িতে ফেরদৌস।

দেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না চিত্রনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় নন তিনি। হঠাৎ গত দুইদিন ধরে শোবিজ পাড়ায় গুঞ্জন ওঠে ভারতের কলকাতায় প্রিয় বন্ধু টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন এ অভিনেতা।

তবে খবরটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা নিজেই। ঋতুপর্ণা জানান, তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরে আছেন। ১৪ আগস্ট পর্যন্ত তার কাজ ছিল, এরপরই তিনি সিঙ্গাপুর গেছেন। ফেরদৌস প্রসঙ্গ উঠতেই ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আমার কানেও খবরটা এসেছে। আমাদের দুজনের এমন একটা ছবি দিয়ে খবরটা প্রচার করা হচ্ছে, যে ছবিটা কিছুদিন আগে একটা শোতে তোলা। ফেরদৌস তো আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু, এটা তো সবাই জানেন। শেষবারও যখন ঢাকায় গেলাম, ওর বাসায় গিয়েছি। সেও কলকাতায় এলে আমার বাসায় আসে। আমাদের নিয়মিত যাতায়াত আছে। সত্যি কথা বলতে এই ঘটনার পর যোগাযোগ করতে পারিনি।’

ফেরদৌসের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানেন না ঋতুপর্ণা। তিনি বলেন, ‘আমি জানিও না ফেরদৌস এখন কী অবস্থায় আছে। দেশ থেকে বেরিয়েছে কি না, তাও জানি না। শুধু এটুকুই চাইছি, ও যেন ভালো থাকে, সুস্থ থাকে, সাবধানে থাকে। কারণ, মানুষ হিসেবে ফেরদৌস খুব ভালো। ওর দেশে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কী হয়েছে, কিন্তু সে তো একজন ভালো মানুষ, চলচ্চিত্রের একজন বড় তারকা, একজন শিল্পী, অসাধারণ একটা সুন্দর মন আছে ওর। সত্যি বলতে, নির্বাচনের সময়ও ফেরদৌস আমাকে বলেছিল, আমি ভালো কাজ করতে চাই। মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে চাই। সে জন্যই নির্বাচন করতে এসেছিল। যাহোক, ওর দেশে এখন অন্য রকম একটা পরিস্থিতি হয়েছে- আমি ভাবতে চাই, ফেরদৌস যেখানেই থাকুক নিরাপদে এবং ভালোভাবে আছে।’

ফেরদৌসের সঙ্গে এর মধ্যে যোগাযোগ হয়নি বলেও জানান ঋতুপর্ণা। তবে ভালোভাবে আছে, সুস্থ আছে- এটাই ভাবতে চান তিনি।

ঋতুপর্ণা বলেন, ‘হঠাৎ শুনি, ফেরদৌস আমার ভারতের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে, এটা কেমন প্রোপাগান্ডা! এসব প্রোপাগান্ডা যারা ছড়াচ্ছে, তারা অবশ্য ছড়াবেই, তাদের মুখ তো বন্ধ করা যাবে না। আমি বলতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে আমার খুব ভালো একটা সম্পর্ক। ফেরদৌস আমার একজন ভালো বন্ধু, কিন্তু এ কথাটা তো একদমই এমন নয় যে সে দেশ ছেড়ে বেরিয়ে আমার বাড়িতে গেছে! আমার মনেও হয় না, সে দেশ থেকে বেরিয়েছে, বের হলে আমরা তো জানতে পারতাম। বিষয়টা তো এমন নয় ফেরদৌস অপরিচিত মুখ। তার মতো মানুষ, দেশ থেকে বের হলে এমনিতে সবাই জানতে পারবে যে দেশ থেকে বেরোচ্ছে। আমার পরিষ্কার কথা, সে যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক, বাংলাদেশেরও সবাই ভালো থাকুক।’

বাংলাদেশে শান্তি ফিরে আসুক এমনটা কামনা করে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘অনেকগুলো খবর আসছে যে বাংলাদেশের অনেক জায়গায় মানুষ অত্যাচারিত হচ্ছে। ঘরবাড়ি পুড়ে যাচ্ছে। আমি চাইব যে সেখানে এ ধরনের লুটতরাজ, মারামারি ও হানাহানি মোটেও কাম্য নয়। বাংলাদেশে শান্তি ফিরে আসুক। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের বড় প্রিয় জায়গা। বাংলাদেশের মতো এত সুন্দর সোনার বাংলা যেন সোনার বাংলার মতোই থাকে। সব ঠিক হয়ে যাক, এটাই চাই। একটা দেশে নানা মতের মানুষ থাকবে, এটাই সেই দেশের গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য। সবার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা থাকাটাই সেই দেশের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য। সবাই মিলেমিশে থাকাটাই তো বড় কথা।’

১৯৯৮ সালে বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত যৌথ প্রযোজনার ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমায় অভিনয় করে আলোচনায় আসেন ফেরদৌস। এই সিনেমার জন্য ‘শ্রেষ্ঠ অভিনেতা’ হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এর পর থেকে কলকাতার সিনেমায়ও অভিনয় করেন তিনি। ২০০১ সালে ‘ওস্তাদ’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন ঋতুপর্ণার সঙ্গে। এরপর অনেক সিনেমায় জুটি হয়েছেন ঋতুপর্ণা-ফেরদৌস। কাজের সূত্রে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

Bangla Photocard Generatorv3.7