Dhaka ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ

আমতলীতে তরমুজ চাষের জন্য ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫ Time View

মাইনুল ইসলাম রাজু, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি; যে দিকে চোখ যায় একটু পর পরখড় কুটো ঘেরা টং ঘর।এধরনের টং ঘরেই উপজেলার কয়েকশত কৃষকের এখন অস্থায়ী আবাস।পরিবার পরিজন ছেড়ে রান্না-বান্নার হাড়ি-পাতিলে দ্বিতীয় সংসার পেতেছেন তারা। সেই কাক ডাকা ভোরেই এখান থেকেই শুরু হয় তাদের কর্মজজ্ঞ। সকাল-বিকাল-দুপুর-রাতেও তাদের চিন্তা রসালো ফল তরমুজ উৎপাদনে।

জানা গেছে,আমতলীর আবাদি জমি তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় শুষ্ক মৌসূমে কৃষকের তন্ময় দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে ফলটি উৎপাদনে। এ এলাকার চাষীরা তরমুজ চাষে দক্ষ ও অভিজ্ঞ হওয়ায় তারা জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ করে থাকেন। যা এখানকার কৃষিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।গত কয়েক বছর আমতলী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন এবং বাজার দর ভাল হওয়ায় এখানকার কৃষকেরা তরমুজ চাষে ব্যাপকভাবে ঝুঁকে পড়ছেন। দেশের বিভিন্ন বাজারে বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকায় এ উপজেলায় উৎপাদিত মানবদেহের উপকারী ফলটি এখানকার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
কৃষকদের সমন্বিত দক্ষতা ও আন্তরিকতায় তরমুজ চাষে এ উপজেলায় বিপ্লব সাধিত হয়েছে। এ বছর ৩ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে কৃষি বিভাগ আশা করছে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে ৫ হাজার হেক্টরের উপরে। খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছেন ফলটি উৎপাদনে।
হলদিয়ার এলাকার তরমুজ চাষী মো: আলম জানান, অনেক চাষীই বেশি জমিতে উন্নত জাতের বিভিন্ন জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে খরচ বাদ দিয়ে তারা ভাল লাভবান হবেন।
তরমুজ খেতের শ্রমিক সবুজ খান বলেন, সব সময় তাদের তরমুজ খেতে ব্যস্ত থাকতে হয়।জমি প্রস্তুত থেকে তরমুজ বিক্রি সব ক্ষেত্রেই তাদের শ্রম দিতে হয়।বিনিময়ে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা তাদের বেতন দেওয়া হয়। থাকা-খাওয়া সব কিছু মালিকের। তিনি আরো বলেন, একাজের সাথে এখন অনেক শ্রমিক জড়িত।
আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকতা কৃষিবিদ মো.রাসেল বলেন,আমতলী উপজেলা কোটিকোটি টাকার তরমুজ উৎপাদন হয়ে থাকে। এখানকার মাটি,আবহাওয়া ও নদ-নদীর মিঠা পানির উৎস তরমুজ চাষের জন্য খুবই উপযোগী।এবছর তরমুজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার হেক্টর হলেও গতবছর তরমুজ চাষীরা বেশি দাম পাওয়ায় আশা করা যায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, আমতলীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ তরমুজ চাষীরা চরাঞ্চলের জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তরমুজ চাষ করে থাকেন যা এখানকার কৃষিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7
জনপ্রিয়

যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল

আমতলীতে তরমুজ চাষের জন্য ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

Update Time : ০৬:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

মাইনুল ইসলাম রাজু, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি; যে দিকে চোখ যায় একটু পর পরখড় কুটো ঘেরা টং ঘর।এধরনের টং ঘরেই উপজেলার কয়েকশত কৃষকের এখন অস্থায়ী আবাস।পরিবার পরিজন ছেড়ে রান্না-বান্নার হাড়ি-পাতিলে দ্বিতীয় সংসার পেতেছেন তারা। সেই কাক ডাকা ভোরেই এখান থেকেই শুরু হয় তাদের কর্মজজ্ঞ। সকাল-বিকাল-দুপুর-রাতেও তাদের চিন্তা রসালো ফল তরমুজ উৎপাদনে।

জানা গেছে,আমতলীর আবাদি জমি তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় শুষ্ক মৌসূমে কৃষকের তন্ময় দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকে ফলটি উৎপাদনে। এ এলাকার চাষীরা তরমুজ চাষে দক্ষ ও অভিজ্ঞ হওয়ায় তারা জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ করে থাকেন। যা এখানকার কৃষিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।গত কয়েক বছর আমতলী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন এবং বাজার দর ভাল হওয়ায় এখানকার কৃষকেরা তরমুজ চাষে ব্যাপকভাবে ঝুঁকে পড়ছেন। দেশের বিভিন্ন বাজারে বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকায় এ উপজেলায় উৎপাদিত মানবদেহের উপকারী ফলটি এখানকার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।
কৃষকদের সমন্বিত দক্ষতা ও আন্তরিকতায় তরমুজ চাষে এ উপজেলায় বিপ্লব সাধিত হয়েছে। এ বছর ৩ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে কৃষি বিভাগ আশা করছে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে ৫ হাজার হেক্টরের উপরে। খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছেন ফলটি উৎপাদনে।
হলদিয়ার এলাকার তরমুজ চাষী মো: আলম জানান, অনেক চাষীই বেশি জমিতে উন্নত জাতের বিভিন্ন জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে খরচ বাদ দিয়ে তারা ভাল লাভবান হবেন।
তরমুজ খেতের শ্রমিক সবুজ খান বলেন, সব সময় তাদের তরমুজ খেতে ব্যস্ত থাকতে হয়।জমি প্রস্তুত থেকে তরমুজ বিক্রি সব ক্ষেত্রেই তাদের শ্রম দিতে হয়।বিনিময়ে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা তাদের বেতন দেওয়া হয়। থাকা-খাওয়া সব কিছু মালিকের। তিনি আরো বলেন, একাজের সাথে এখন অনেক শ্রমিক জড়িত।
আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকতা কৃষিবিদ মো.রাসেল বলেন,আমতলী উপজেলা কোটিকোটি টাকার তরমুজ উৎপাদন হয়ে থাকে। এখানকার মাটি,আবহাওয়া ও নদ-নদীর মিঠা পানির উৎস তরমুজ চাষের জন্য খুবই উপযোগী।এবছর তরমুজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার হেক্টর হলেও গতবছর তরমুজ চাষীরা বেশি দাম পাওয়ায় আশা করা যায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, আমতলীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ তরমুজ চাষীরা চরাঞ্চলের জমি লিজ নিয়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তরমুজ চাষ করে থাকেন যা এখানকার কৃষিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শসহ সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7