Dhaka ১০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা নিল ১০ লাখের বেশি শিশু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯ Time View

[ad_1]

Typhoid-Vaccine

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা নিল ১০ লাখের বেশি শিশু

প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে সারাদেশে টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর প্রথম দিনেই টিকা নিয়েছে ১০ লাখের বেশি শিশু। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় ১৮ কর্মদিবসে প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ইপিআই) ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, রবিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিবন্ধিত সাত লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে নিবন্ধন ছাড়া আরও অনেক শিশু টিকা নিয়েছে। রাতের মধ্যে সব তথ্য সিস্টেমে হালনাগাদ করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের হিসাব অনুযায়ী প্রথম দিনেই প্রায় ১০ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে টিকা প্রদানের গতি আরও বাড়ানো হবে।

এর আগে সকালে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে মাসব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, টাইফয়েড এখনো আমাদের দেশের অনেক শিশুর প্রাণ কাড়ে—এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশ ডায়রিয়া ও রাতকানা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারলে টাইফয়েডে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেন, টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়, বরং এটি দেশের শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সরকারের এই উদ্যোগ দেশের দুর্বল জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

সরকার জানিয়েছে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে এক ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া হবে। পথশিশুদের টিকাদানে সহায়তা করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জানিয়েছে, তাদের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৭২ হাজার শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হচ্ছে। গতকাল রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

ডিএনসিসি জানায়, ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত তাদের ১০ অঞ্চলে মোট ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ২,১৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রী এবং ৬৫৬টি ইপিআই কেন্দ্রে ৫ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। কার্যক্রম চলবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, জন্মনিবন্ধন না থাকা শিশুদেরও টিকা দেওয়া হবে, স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায় তাদের তথ্য নিবন্ধন করা হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা নিল ১০ লাখের বেশি শিশু

Update Time : ০৯:৫৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

[ad_1]

Typhoid-Vaccine

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা নিল ১০ লাখের বেশি শিশু

প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে সারাদেশে টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর প্রথম দিনেই টিকা নিয়েছে ১০ লাখের বেশি শিশু। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় ১৮ কর্মদিবসে প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ইপিআই) ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, রবিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিবন্ধিত সাত লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে নিবন্ধন ছাড়া আরও অনেক শিশু টিকা নিয়েছে। রাতের মধ্যে সব তথ্য সিস্টেমে হালনাগাদ করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের হিসাব অনুযায়ী প্রথম দিনেই প্রায় ১০ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে টিকা প্রদানের গতি আরও বাড়ানো হবে।

এর আগে সকালে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে মাসব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, টাইফয়েড এখনো আমাদের দেশের অনেক শিশুর প্রাণ কাড়ে—এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশ ডায়রিয়া ও রাতকানা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারলে টাইফয়েডে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেন, টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়, বরং এটি দেশের শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সরকারের এই উদ্যোগ দেশের দুর্বল জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

সরকার জানিয়েছে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে এক ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া হবে। পথশিশুদের টিকাদানে সহায়তা করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জানিয়েছে, তাদের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৭২ হাজার শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হচ্ছে। গতকাল রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

ডিএনসিসি জানায়, ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত তাদের ১০ অঞ্চলে মোট ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ২,১৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রী এবং ৬৫৬টি ইপিআই কেন্দ্রে ৫ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। কার্যক্রম চলবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, জন্মনিবন্ধন না থাকা শিশুদেরও টিকা দেওয়া হবে, স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায় তাদের তথ্য নিবন্ধন করা হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7