Dhaka ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবি, তালা ভেঙে হলে শিক্ষার্থীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • ৪ Time View

অনলাইন ডেস্ক : খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য মুহাম্মদ মাছুদের পদত্যাগের দাবিতে এক দফা আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা একের পর এক হলের তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে শিক্ষার্থীরা প্রেস ব্রিফিং করে ভিসির পদত্যাগের এক দফা দাবি জানিয়েছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, যেহেতু উপাচার্য (ভিসি) কুয়েট শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন, ব্যর্থতার দায় নিতে অস্বীকার করেছেন, তিনি ইন্টারনেট, পানি বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে দিয়েছেন। ভিসি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলার ইন্ধন দিয়েছেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করেছেন তাই আমরা ছয় দফা থেকে এক দফা ঘোষণা করছি। এই ভিসিকে অপসারণ আমাদের একমাত্র দাবি। একই সাথে নতুন ভিসির অধীনে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

এর আগে সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০১তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারির সহিংসতার ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা শিক্ষা কার্যক্রম আগামী ৪ মে এবং আবাসিক হলগুলো ২ মে খুলে দেয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে রাতেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। গত দুই দিন ধরে তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছিলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষার্থীরা একের পর এক হলের গেটের তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেন। হলের তালা ভাঙার আগে তারা বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকদের কাছে হলের তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। শিক্ষকদের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই হলের তালা খোলার সিদ্ধান্ত নেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, কুয়েটের সিন্ডিকেট সভায় যে ৩৭ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে কর্তৃপক্ষ তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি। কেন তাদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। কী অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাও শিক্ষার্থীদের জানানো হয়নি।

হলের তালা ভাঙা শেষে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের ঘরে আমরা প্রবেশ করেছি। হল খুলে দেওয়ার জন্য অনেক অনুরোধ করেছি প্রশাসনের কাছে। কিন্তু কাজ হয়নি। এখন আমরা প্রশাসনের কাছে আমাদের হলের বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা চালু করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। নিরাপত্তা শাখার পক্ষ থেকে তাদের যদি নিরাপত্তা না দেয় আমরাই আমাদের হলের নিরাপত্তা ও নিজেদের নিরাপত্তা দেব। আমরা কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার করব না। বাগবিতণ্ডায় জড়াব না। একটা হলে আমরা রান্নার ব্যবস্থা করব। এ বিষয়ে রাতে আলোচনায় বসব। হলে আইডি কার্ড ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। কুয়েটের যেসব শিক্ষার্থী হলে থাকেন তাদের হলে আসার আহ্বান জানাই।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, আমরা শিগরিই ক্লাসে ফিরে যেতে চাই, আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে চাই। তবে নতুন ভিসির অধীনে।

উল্লেখ্য, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদল-যুবদলের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হন। এ ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম ও হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রোববার (১৩ এপ্রিল) বন্ধ থাকা কুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।- বাংলা নিউজ

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবি, তালা ভেঙে হলে শিক্ষার্থীরা

Update Time : ০৫:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য মুহাম্মদ মাছুদের পদত্যাগের দাবিতে এক দফা আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা একের পর এক হলের তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে শিক্ষার্থীরা প্রেস ব্রিফিং করে ভিসির পদত্যাগের এক দফা দাবি জানিয়েছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, যেহেতু উপাচার্য (ভিসি) কুয়েট শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন, ব্যর্থতার দায় নিতে অস্বীকার করেছেন, তিনি ইন্টারনেট, পানি বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে দিয়েছেন। ভিসি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলার ইন্ধন দিয়েছেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করেছেন তাই আমরা ছয় দফা থেকে এক দফা ঘোষণা করছি। এই ভিসিকে অপসারণ আমাদের একমাত্র দাবি। একই সাথে নতুন ভিসির অধীনে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

এর আগে সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০১তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারির সহিংসতার ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা শিক্ষা কার্যক্রম আগামী ৪ মে এবং আবাসিক হলগুলো ২ মে খুলে দেয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে রাতেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। গত দুই দিন ধরে তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছিলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষার্থীরা একের পর এক হলের গেটের তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেন। হলের তালা ভাঙার আগে তারা বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকদের কাছে হলের তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। শিক্ষকদের কাছ থেকে সাড়া না পেয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই হলের তালা খোলার সিদ্ধান্ত নেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, কুয়েটের সিন্ডিকেট সভায় যে ৩৭ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে কর্তৃপক্ষ তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি। কেন তাদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। কী অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাও শিক্ষার্থীদের জানানো হয়নি।

হলের তালা ভাঙা শেষে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের ঘরে আমরা প্রবেশ করেছি। হল খুলে দেওয়ার জন্য অনেক অনুরোধ করেছি প্রশাসনের কাছে। কিন্তু কাজ হয়নি। এখন আমরা প্রশাসনের কাছে আমাদের হলের বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা চালু করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। নিরাপত্তা শাখার পক্ষ থেকে তাদের যদি নিরাপত্তা না দেয় আমরাই আমাদের হলের নিরাপত্তা ও নিজেদের নিরাপত্তা দেব। আমরা কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার করব না। বাগবিতণ্ডায় জড়াব না। একটা হলে আমরা রান্নার ব্যবস্থা করব। এ বিষয়ে রাতে আলোচনায় বসব। হলে আইডি কার্ড ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। কুয়েটের যেসব শিক্ষার্থী হলে থাকেন তাদের হলে আসার আহ্বান জানাই।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, আমরা শিগরিই ক্লাসে ফিরে যেতে চাই, আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে চাই। তবে নতুন ভিসির অধীনে।

উল্লেখ্য, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদল-যুবদলের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হন। এ ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম ও হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রোববার (১৩ এপ্রিল) বন্ধ থাকা কুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।- বাংলা নিউজ

Bangla Photocard Generatorv3.7