Dhaka ১২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রাবি, অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত উপাচার্যসহ বাকিরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪
  • ১৫ Time View

রাবি প্রতিবেদক: দীর্ঘ পাঁচ ঘন্টা পর অবশেষে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বের হতে পেরেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্ধ্বতনরা। বুধবার (১৭ জুলাই) ৭টা ১০ মিনিটের দিকে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ শুরু করে পুলিশ। এর ৫-৭ মিনিটের মধ্যেই প্রশাসন ভবন থেকে বের হয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান উপাচার্যসহ বাকিরা। দুপুর ২টা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।

রাত আটটায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের কাউকে দেখা যায়নি। সর্বশেষ সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে সর্বশেষ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে দেখা যায় পুলিশকে। বর্তমানে ক্যাম্পাস পুরোপুরি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এর আগে, শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে সকাল থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করতেছিল কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দুপুর ২টা থেকে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উর্ধ্বতনদের প্রশাসন ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেট হয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে পুলিশ। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে ইট ভাঙা শুরু করে। ভাঙা ইটে ভরে যায় প্যারিস রোডের অনেকাংশ। ৭টা ১০ মিনিটের দিকে কয়েকটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ শুরু করে পুলিশ। এতে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও কিছু সময় পরে আবারো একত্রিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে তারা। তবে, খুব বেশি সময় পুলিশের সামনে দাড়াতে পারেনি তারা।

শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল সকল ধরনের ছাত্র রাজনীতিমুক্ত থাকতে হবে এবং ছাত্রলীগের অস্ত্রপাতি উদ্ধার করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, চলমান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের কোনো ধরনের মামলা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে, হলের সিট ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে একদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হলে তুলতে হবে এবং ছাত্রলীগের দখলকৃত সিট গণরুমে পরিণত করতে হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রাবি, অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত উপাচার্যসহ বাকিরা

Update Time : ১০:১৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪

রাবি প্রতিবেদক: দীর্ঘ পাঁচ ঘন্টা পর অবশেষে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বের হতে পেরেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্ধ্বতনরা। বুধবার (১৭ জুলাই) ৭টা ১০ মিনিটের দিকে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ শুরু করে পুলিশ। এর ৫-৭ মিনিটের মধ্যেই প্রশাসন ভবন থেকে বের হয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান উপাচার্যসহ বাকিরা। দুপুর ২টা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।

রাত আটটায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের কাউকে দেখা যায়নি। সর্বশেষ সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে সর্বশেষ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে দেখা যায় পুলিশকে। বর্তমানে ক্যাম্পাস পুরোপুরি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এর আগে, শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে সকাল থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করতেছিল কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দুপুর ২টা থেকে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উর্ধ্বতনদের প্রশাসন ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেট হয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে পুলিশ। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে ইট ভাঙা শুরু করে। ভাঙা ইটে ভরে যায় প্যারিস রোডের অনেকাংশ। ৭টা ১০ মিনিটের দিকে কয়েকটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ শুরু করে পুলিশ। এতে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও কিছু সময় পরে আবারো একত্রিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে তারা। তবে, খুব বেশি সময় পুলিশের সামনে দাড়াতে পারেনি তারা।

শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল সকল ধরনের ছাত্র রাজনীতিমুক্ত থাকতে হবে এবং ছাত্রলীগের অস্ত্রপাতি উদ্ধার করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, চলমান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের কোনো ধরনের মামলা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে, হলের সিট ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে একদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হলে তুলতে হবে এবং ছাত্রলীগের দখলকৃত সিট গণরুমে পরিণত করতে হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7