Dhaka ১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

ছদ্মবেশে বিভিন্ন থানায় ঘুরলেন নবাগত পুলিশ সুপার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪
  • ৮ Time View

অনলাইন ডেস্ক : যশোরে নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেছেন মো. মাসুদ আলম। গত সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে বিদায়ী পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদারের কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝে নেন। দায়িত্ব নিয়েই ছদ্মবেশে জেলার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের কার্যালয় ঘুরেছেন তিনি। জানার চেষ্টা করেছেন স্বাভাবিক নিয়মে সব কিছু চলছে কিনা। পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনোভাবও যাচাই করেছেন।

নবাগত পুলিশ সুপারের এমন ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ডকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্য করছেন অনেকে।

নবাগত পুলিশ সুপার মাসুদ আলমের এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে কয়েকটি ফেসবুক পোস্টও ভাইরাল হয়েছে। এ সব পোস্টের কমেন্টে পুলিশ সুপারের প্রশংসা করছেন সবাই। তবে কিছু ভুল তথ্যও সরবরাহ করা হয়েছে।

যশোরের নবাগত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, আমি গিয়েছি এটা সত্য। আমি সাংবাদিক ভাইদের অফিস, বাসাবাড়িতেও গিয়েছি। তারা কেমন আছে, কী অবস্থায় আছে খোঁজখবর নিয়েছি গতকাল রাত আড়াইটা তিনটা পর্যন্ত।

পুলিশ সুপার বলেন, ছদ্মবেশে গিয়েছি, দেখেছি। আমি শার্শা থানা, সদর থানা, ট্রাফিক অফিসসহ বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছি। অনেক জায়গায় ভালো পেয়েছি, আবার অনেক জায়গায় একটু খারাপ পেয়েছি। খারাপ জায়গাগুলোর ব্যাপারে আমি পদক্ষেপ নেব।

তিনি আরও বলেন, বড় ধরনের কোনো অনিয়ম আমার চোখে পড়েনি, আমি আরও খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলা হচ্ছে যে সদর থানার ডিউটি অফিসার আমার কাছে জিডি বাবদ ৫০০ টাকা চেয়েছে, এটা সত্য নয়। আমি অনলাইন জিডি লেখানোর জন্য বাহিরের একটি কম্পিউটারের দোকানে গিয়েছিলাম, সেখানে দোকানদার আমার কাছে বেশি অংকের টাকা দাবি করে। তখন আমি বললাম ভাই এটা লেখাতে তো সর্বোচ্চ ২০-৩০ টাকা লাগে। আমি এ সকল ব্যাপারে আরও খোঁজখবর নিচ্ছি। কোনো অনিয়ম অপরাধ ছাড় দেওয়া হবে না।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

ছদ্মবেশে বিভিন্ন থানায় ঘুরলেন নবাগত পুলিশ সুপার

Update Time : ১২:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : যশোরে নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেছেন মো. মাসুদ আলম। গত সোমবার (৮ জুলাই) দুপুরে বিদায়ী পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদারের কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝে নেন। দায়িত্ব নিয়েই ছদ্মবেশে জেলার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের কার্যালয় ঘুরেছেন তিনি। জানার চেষ্টা করেছেন স্বাভাবিক নিয়মে সব কিছু চলছে কিনা। পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনোভাবও যাচাই করেছেন।

নবাগত পুলিশ সুপারের এমন ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ডকে প্রশংসনীয় উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্য করছেন অনেকে।

নবাগত পুলিশ সুপার মাসুদ আলমের এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে কয়েকটি ফেসবুক পোস্টও ভাইরাল হয়েছে। এ সব পোস্টের কমেন্টে পুলিশ সুপারের প্রশংসা করছেন সবাই। তবে কিছু ভুল তথ্যও সরবরাহ করা হয়েছে।

যশোরের নবাগত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, আমি গিয়েছি এটা সত্য। আমি সাংবাদিক ভাইদের অফিস, বাসাবাড়িতেও গিয়েছি। তারা কেমন আছে, কী অবস্থায় আছে খোঁজখবর নিয়েছি গতকাল রাত আড়াইটা তিনটা পর্যন্ত।

পুলিশ সুপার বলেন, ছদ্মবেশে গিয়েছি, দেখেছি। আমি শার্শা থানা, সদর থানা, ট্রাফিক অফিসসহ বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছি। অনেক জায়গায় ভালো পেয়েছি, আবার অনেক জায়গায় একটু খারাপ পেয়েছি। খারাপ জায়গাগুলোর ব্যাপারে আমি পদক্ষেপ নেব।

তিনি আরও বলেন, বড় ধরনের কোনো অনিয়ম আমার চোখে পড়েনি, আমি আরও খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলা হচ্ছে যে সদর থানার ডিউটি অফিসার আমার কাছে জিডি বাবদ ৫০০ টাকা চেয়েছে, এটা সত্য নয়। আমি অনলাইন জিডি লেখানোর জন্য বাহিরের একটি কম্পিউটারের দোকানে গিয়েছিলাম, সেখানে দোকানদার আমার কাছে বেশি অংকের টাকা দাবি করে। তখন আমি বললাম ভাই এটা লেখাতে তো সর্বোচ্চ ২০-৩০ টাকা লাগে। আমি এ সকল ব্যাপারে আরও খোঁজখবর নিচ্ছি। কোনো অনিয়ম অপরাধ ছাড় দেওয়া হবে না।

Bangla Photocard Generatorv3.7