Dhaka ০৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়া কেন্দ্র করে হামলায় ঘটনায় গ্রেফতার এক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪
  • ৬ Time View

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা: রাজশাহীর বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধে হামলার ঘটনায় ফজল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুলাই) রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফজল হোসেন উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকা সূত্রে জানা গেছে,আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের সামাজিক নের্তৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। মিঠুর পক্ষের তার ভাতিজা জিনারুল ইসলাম রোববার (৭ জুলাই) দুপুরে যোহরের নামাজের আযানের কিছু সময় আগে মসজিদে এসে আযান দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তুু মসজিদের মাইকের মাউথ পিচের সমস্য থাকায় জিনারুল কোনভাবেই আযান দিতে পারেনি। আযানের সময় পার হয়ে গেলেও আযান দিতে না পেরে ইমামের সাথে তর্কবিতর্ক করে গালিগালাজ শুরু করে ইমাম সামসুল ইসলামকে। সামসুল বিষয়টি মসজিদ কমিটিকে জানালে। পরে মসজিদ কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিক হোসেন মসজিদ এলাকায় এসে ইমাম শামসুল ইসলামের কাছে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় পরিকল্পিতভাবে মিজানুর রহমান মিঠুর পক্ষের লোকজন লোহার রড়,বাঁশের লাঠি,সাবল,হাসুয়া নিয়ে শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিকের উপর হামলা করে। এ হামলায় তারা গুরুতর আহত হয়। হামলার পরে মসজিদে ইমাম মাইকে প্রচার করে মিজানুর রহমান মিঠুর লোকজন হামলা করেছে। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চারঘাট মেডিকেলে নিয়ে গেলে সেখানে তার অবস্থা আশংকা জনক দেখা দিলে পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ফজল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ।
স্থানীয় সেলিম উদ্দিন বলেন, যেদিন থেকে আবদুর রশিদ, ফজল হোসেন, মসলেম উদ্দিন, মিঠু দীর্ঘদিন থেকে সমাজের নেতৃত্ব দেয়া শুরু করে। সেদিন থেকে মসজিদকে কেন্দ্র করে কমিটির সাথে বাড়তে থাকে তাদের দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বে উত্তর সোনাদহ গ্রামে সমাজের ১১০ পরিবার একত্রিত হয়ে তাদের সমাজ থেকে আলাদা করে দেয়। এরপর থেকে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে এবং মসজিদে গিয়ে সময়ে অসময়ে দ্বন্দ্বে সৃষ্টি করতে থাকে।
মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু বলেন,তারা এককভাবে সমাজকে নেতৃত্ব দিতে চাই। প্রতিবাদ করায় তারা একত্রি হয়ে আমাদের কয়েক ঘরকে সমাজ থেকে আলাদা করে রেখেছে। আমার ভাতিজা আযান দিতে গেলে তারা আযান দিতে নিষেধ করে ও বাধা দেন। এ দিয়ে ইমামের সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।
মসজিদের ইমাম শামসুল ইসলাম বলেন, আমি বাইরে থেকে এসে ইমামতি করি। যখন তখন এসে সময় হওয়ার আগে জিনারুল মসজিদে এসে আযান দেন। এ নিয়ে তাকে নিষেধ করায় আমাকে গালিগালাজ করে জিনারুল। আমি বাধ্য হয়ে মসজিদ কমিটিকে জানালে কমিটির দুই সদস্য তাদের নিকট বিষয়টি জানতে গেলে তাদের উপর চওড়া হয় ও তাদের উপর হামলা করে। এ ঘটনা তারা গুরুতর আহত হয়। সে এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে সোমবার তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়া কেন্দ্র করে হামলায় ঘটনায় গ্রেফতার এক

Update Time : ০৯:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা: রাজশাহীর বাঘায় মসজিদে আযান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধে হামলার ঘটনায় ফজল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুলাই) রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফজল হোসেন উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকা সূত্রে জানা গেছে,আড়ানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের সামাজিক নের্তৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। মিঠুর পক্ষের তার ভাতিজা জিনারুল ইসলাম রোববার (৭ জুলাই) দুপুরে যোহরের নামাজের আযানের কিছু সময় আগে মসজিদে এসে আযান দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তুু মসজিদের মাইকের মাউথ পিচের সমস্য থাকায় জিনারুল কোনভাবেই আযান দিতে পারেনি। আযানের সময় পার হয়ে গেলেও আযান দিতে না পেরে ইমামের সাথে তর্কবিতর্ক করে গালিগালাজ শুরু করে ইমাম সামসুল ইসলামকে। সামসুল বিষয়টি মসজিদ কমিটিকে জানালে। পরে মসজিদ কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিক হোসেন মসজিদ এলাকায় এসে ইমাম শামসুল ইসলামের কাছে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় পরিকল্পিতভাবে মিজানুর রহমান মিঠুর পক্ষের লোকজন লোহার রড়,বাঁশের লাঠি,সাবল,হাসুয়া নিয়ে শহিদুল ইসলাম সেন্টু ও মানিকের উপর হামলা করে। এ হামলায় তারা গুরুতর আহত হয়। হামলার পরে মসজিদে ইমাম মাইকে প্রচার করে মিজানুর রহমান মিঠুর লোকজন হামলা করেছে। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চারঘাট মেডিকেলে নিয়ে গেলে সেখানে তার অবস্থা আশংকা জনক দেখা দিলে পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ফজল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ।
স্থানীয় সেলিম উদ্দিন বলেন, যেদিন থেকে আবদুর রশিদ, ফজল হোসেন, মসলেম উদ্দিন, মিঠু দীর্ঘদিন থেকে সমাজের নেতৃত্ব দেয়া শুরু করে। সেদিন থেকে মসজিদকে কেন্দ্র করে কমিটির সাথে বাড়তে থাকে তাদের দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বে উত্তর সোনাদহ গ্রামে সমাজের ১১০ পরিবার একত্রিত হয়ে তাদের সমাজ থেকে আলাদা করে দেয়। এরপর থেকে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে এবং মসজিদে গিয়ে সময়ে অসময়ে দ্বন্দ্বে সৃষ্টি করতে থাকে।
মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু বলেন,তারা এককভাবে সমাজকে নেতৃত্ব দিতে চাই। প্রতিবাদ করায় তারা একত্রি হয়ে আমাদের কয়েক ঘরকে সমাজ থেকে আলাদা করে রেখেছে। আমার ভাতিজা আযান দিতে গেলে তারা আযান দিতে নিষেধ করে ও বাধা দেন। এ দিয়ে ইমামের সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।
মসজিদের ইমাম শামসুল ইসলাম বলেন, আমি বাইরে থেকে এসে ইমামতি করি। যখন তখন এসে সময় হওয়ার আগে জিনারুল মসজিদে এসে আযান দেন। এ নিয়ে তাকে নিষেধ করায় আমাকে গালিগালাজ করে জিনারুল। আমি বাধ্য হয়ে মসজিদ কমিটিকে জানালে কমিটির দুই সদস্য তাদের নিকট বিষয়টি জানতে গেলে তাদের উপর চওড়া হয় ও তাদের উপর হামলা করে। এ ঘটনা তারা গুরুতর আহত হয়। সে এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে সোমবার তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7