Dhaka ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

সেন্টুর দাফন-কাফনের ব্যয়ও বহন করলেন রাজশাহীর ডিসি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪
  • ৪ Time View

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে অক্সিজেনের পাইপ নিয়ে অটোরিকশা চালানো সেই সেন্টু মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় মহানগরীর কলাবাগান সবজিপাড়া এলাকায় তার মৃত্যু হয়। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। তিনি সেন্টুর বাসস্থান ও চিকিৎসার পাশাপাশি দাফন-কাফনের ব্যয়ভারও বহন করেন।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নির্দেশনা মোতাবেক শুক্রবার দুপুরে পবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিত সরকার সেন্টুর স্ত্রী, সন্তান ও দুই মেয়ের হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান করেন। এ খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পরিবার।
সেন্টুর ছেলে রাকিব জানান, দীর্ঘদিন থেকে শ্বাসকষ্ট, হার্ট ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন তার বাবা। হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১৬ দিন আগে তার বাবাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। সেন্টুকে রামেক হাসপাতালে ভর্তির খবর পেয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক তার বাবার চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলন।
তিনি বলেন, ডিসি স্যারের সহায়তায় আমার বাবা মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছে। এছাড়াও তিনি প্রতি মাসে মাসে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে বাবাকে চাচার বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে দেড়টার দিকে বাবা মারা যান। বাদ মাগরিব মহানগরীর হেতেম খাঁ বড় মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে হেতেম খাঁ কবরস্থানে বাবার মরদেহ দাফন করা হয়েছে। আর হাসপাতালে ভর্তি থেকে শুরু করে চিকিৎসাসহ দাফন-কাফনের সব ব্যয় জেলা প্রশাসক স্যার দিয়েছেন। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

সেন্টুর দাফন-কাফনের ব্যয়ও বহন করলেন রাজশাহীর ডিসি

Update Time : ১১:১৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে অক্সিজেনের পাইপ নিয়ে অটোরিকশা চালানো সেই সেন্টু মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় মহানগরীর কলাবাগান সবজিপাড়া এলাকায় তার মৃত্যু হয়। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। তিনি সেন্টুর বাসস্থান ও চিকিৎসার পাশাপাশি দাফন-কাফনের ব্যয়ভারও বহন করেন।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নির্দেশনা মোতাবেক শুক্রবার দুপুরে পবা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিত সরকার সেন্টুর স্ত্রী, সন্তান ও দুই মেয়ের হাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান করেন। এ খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পরিবার।
সেন্টুর ছেলে রাকিব জানান, দীর্ঘদিন থেকে শ্বাসকষ্ট, হার্ট ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন তার বাবা। হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১৬ দিন আগে তার বাবাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। সেন্টুকে রামেক হাসপাতালে ভর্তির খবর পেয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক তার বাবার চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলন।
তিনি বলেন, ডিসি স্যারের সহায়তায় আমার বাবা মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছে। এছাড়াও তিনি প্রতি মাসে মাসে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে বাবাকে চাচার বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে দেড়টার দিকে বাবা মারা যান। বাদ মাগরিব মহানগরীর হেতেম খাঁ বড় মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে হেতেম খাঁ কবরস্থানে বাবার মরদেহ দাফন করা হয়েছে। আর হাসপাতালে ভর্তি থেকে শুরু করে চিকিৎসাসহ দাফন-কাফনের সব ব্যয় জেলা প্রশাসক স্যার দিয়েছেন। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

Bangla Photocard Generatorv3.7