Dhaka ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

ঝলমলিয়া পশুর হাটে অনিয়মের অভিযোগ ক্রেতা ও বিক্রেতার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪
  • ৩ Time View

পুঠিয়া প্রতিনিধি : কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজারে পশু কেনা- বেচায় খাজনা আদায়ের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার কুরবানী ঈদের আগে সাপ্তাহিক শেষ হাট হওয়ায় বাজারে খাসি ও ছাগলের আমদানির পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কেনা- বেচা শুরু হতেই বৃদ্ধি পায় হাটে খাজনা আদায়ের টাকার পরিমান। খাসি বা ছাগলের ক্ষেত্রে ক্রেতা ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার ২০০ টাকা হারে খাজনা আদায় করছে হাট ইজারাদার।
সরজমিনে পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত টাকা আদায়ের জন্য অনেক ক্রেতা বাজার থেকে ফিরে চলে গেছে ছাগল ক্রয় না করে। অনেকে আবার ছাগল বিক্রয় না করে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন। আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে হাটে এসেছিলাম খাসিটি বিক্রয়ের জন্য কিন্তু হটে এসে সকাল থেকেই দেখছি খাজনার নামের চলছে চাঁদাবাজি শুরু করেছে হাট ইজারাদারের লোকজন। তাই খাসি বিক্রয় না বাড়ি ফিরতে চাইলে তারা আমাকে বাঁধা দেই। এবং বলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে বাজার থেকে বের হওয়া যাবে না।
খাসি ক্রয় করতে আশা ফজলু রহমান জানান, এই হাটের কথা কি আর বলবো পারেতো আমাদের পকেট থেকে টাকা ছিনিয়ে নিবে। প্রশাসনের ব্যর্থতায় কারণে আজ হাটের এই অবস্থা। আমাদের দুঃখ কষ্ট দেখার কেউ নেই।
নাম পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক ইজারাদারের এক কর্মচারী বলেন, কি আর বলবো হাটের কথা ইনছার চাচা যেভাবে বলেছে আমরা সেভাবেই হাট আদায় করতেছি। আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের অকোত্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি কর্মচারী আমাদের যেভাবে আদায় করতে বলেছে সেভাবে আদায় করতেছি। এসব বিষয়ে সাব-ইজারাদার ইনছার আলী তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলে,কোন ভদ্র মানুষ হাট নেয় না। তাই একটু সমস্যা হয়ে থাকে। ৩৭ লাখ টাকার হাট এবার ৬২ লাখ টাকায় নিয়েছি টাকাগুলো তো সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই তুলতে হবে।
এ বিষয়ে হাট ইজারাদার সুমন সরদার বলে, আশেপাশের সব হাটের থেকে আমার হাটে সবচেয়ে কম টাকা আদায় করা হয়। একা আমার পক্ষে এত বড় হার চালানো সম্ভব না। সে কারণে সাব-ইজারাদার হিসাবে ইনসার কে খাসি হাট দেওয়া আছে। তবে হাটে অনিয়ম হচ্ছে কিনা তা আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর হোসেন নির্জর বলে, হাটে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। এর আগেও ঝলমলিহাটের অনিয়ম কিছু অভিযোগ আমরা হাতে পেয়েছি। তবে বিষয়টা অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

ঝলমলিয়া পশুর হাটে অনিয়মের অভিযোগ ক্রেতা ও বিক্রেতার

Update Time : ১১:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

পুঠিয়া প্রতিনিধি : কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজারে পশু কেনা- বেচায় খাজনা আদায়ের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার কুরবানী ঈদের আগে সাপ্তাহিক শেষ হাট হওয়ায় বাজারে খাসি ও ছাগলের আমদানির পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কেনা- বেচা শুরু হতেই বৃদ্ধি পায় হাটে খাজনা আদায়ের টাকার পরিমান। খাসি বা ছাগলের ক্ষেত্রে ক্রেতা ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার ২০০ টাকা হারে খাজনা আদায় করছে হাট ইজারাদার।
সরজমিনে পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত টাকা আদায়ের জন্য অনেক ক্রেতা বাজার থেকে ফিরে চলে গেছে ছাগল ক্রয় না করে। অনেকে আবার ছাগল বিক্রয় না করে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন। আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে হাটে এসেছিলাম খাসিটি বিক্রয়ের জন্য কিন্তু হটে এসে সকাল থেকেই দেখছি খাজনার নামের চলছে চাঁদাবাজি শুরু করেছে হাট ইজারাদারের লোকজন। তাই খাসি বিক্রয় না বাড়ি ফিরতে চাইলে তারা আমাকে বাঁধা দেই। এবং বলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে বাজার থেকে বের হওয়া যাবে না।
খাসি ক্রয় করতে আশা ফজলু রহমান জানান, এই হাটের কথা কি আর বলবো পারেতো আমাদের পকেট থেকে টাকা ছিনিয়ে নিবে। প্রশাসনের ব্যর্থতায় কারণে আজ হাটের এই অবস্থা। আমাদের দুঃখ কষ্ট দেখার কেউ নেই।
নাম পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক ইজারাদারের এক কর্মচারী বলেন, কি আর বলবো হাটের কথা ইনছার চাচা যেভাবে বলেছে আমরা সেভাবেই হাট আদায় করতেছি। আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের অকোত্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি কর্মচারী আমাদের যেভাবে আদায় করতে বলেছে সেভাবে আদায় করতেছি। এসব বিষয়ে সাব-ইজারাদার ইনছার আলী তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলে,কোন ভদ্র মানুষ হাট নেয় না। তাই একটু সমস্যা হয়ে থাকে। ৩৭ লাখ টাকার হাট এবার ৬২ লাখ টাকায় নিয়েছি টাকাগুলো তো সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই তুলতে হবে।
এ বিষয়ে হাট ইজারাদার সুমন সরদার বলে, আশেপাশের সব হাটের থেকে আমার হাটে সবচেয়ে কম টাকা আদায় করা হয়। একা আমার পক্ষে এত বড় হার চালানো সম্ভব না। সে কারণে সাব-ইজারাদার হিসাবে ইনসার কে খাসি হাট দেওয়া আছে। তবে হাটে অনিয়ম হচ্ছে কিনা তা আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর হোসেন নির্জর বলে, হাটে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। এর আগেও ঝলমলিহাটের অনিয়ম কিছু অভিযোগ আমরা হাতে পেয়েছি। তবে বিষয়টা অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7