Dhaka ০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা স্মার্ট কার্ড পেলেন মুক্তিযোদ্ধারা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪
  • ৩ Time View

অনলাইন ডেস্ক : ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেয়েছেন ১০৪ জন মুক্তিযোদ্ধা। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবীব খান, নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনার মো. আনিসুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মমন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী।

এসময় সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য অসীম। সংগ্রামের মাধ্যমেই একটি দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে পরিমাণ ত্যাগ বাঙালি জাতিকে করতে হয়েছে তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। নির্বাচনের মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়নে বিশ্বের দরবারে যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। মুক্তিযুদ্ধের ঝান্ডা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সঞ্চারিত করতে হয়। এই কার্ডকে হারাবেন না, এটা বীরত্বের একটি স্মারক। হয়তো আপনি থাকবেন না। আপনার কার্ডটা থেকে যাবে।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সামনে কথা বলতে পারাটা গৌরবের। আপনারা (মুক্তিযোদ্ধারা) জাতির সূর্য সন্তান। কারণ আপনারাই বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের একটি দেশের অবস্থান করে দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে না পারার দুঃখ আজীবন থাকবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, আজ বক্তব্য দেবো না। শুধু অনুভূতিটুকু বলবো। আজ আপনাদের যে সম্মান দিতে পেরেছি তা অনেক কম। এই বিষয়টি সম্পর্কে গত কমিশন থেকেই আলোচনা শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তারা আপত্তি দিয়ে এটা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আপনারা যাদের সনদ দিয়েছে ন তাদের আমরা যদি জাতীয় পরিচয়পত্রে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় না দিতে পারি তাহলে এটা অগৌরবের। অবশেষে তারা বুঝতে পারায় তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে রাখার জন্য বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে অনেক কাজ করেছেন। এই সরকারের অধীনেই নির্বাচন কমিশন মুক্তিযোদ্ধাদের এই কার্ড দিয়েছে। তারা শুধু সম্মানটুকু পেতে চায়। এইটাই তাদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) দাবি বেশি না।

এসময় ১১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে মঞ্চ থেকে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য অতিথিরা।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা স্মার্ট কার্ড পেলেন মুক্তিযোদ্ধারা

Update Time : ০৫:১৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেয়েছেন ১০৪ জন মুক্তিযোদ্ধা। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবীব খান, নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনার মো. আনিসুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মমন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী।

এসময় সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য অসীম। সংগ্রামের মাধ্যমেই একটি দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে পরিমাণ ত্যাগ বাঙালি জাতিকে করতে হয়েছে তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। নির্বাচনের মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়নে বিশ্বের দরবারে যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। মুক্তিযুদ্ধের ঝান্ডা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সঞ্চারিত করতে হয়। এই কার্ডকে হারাবেন না, এটা বীরত্বের একটি স্মারক। হয়তো আপনি থাকবেন না। আপনার কার্ডটা থেকে যাবে।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সামনে কথা বলতে পারাটা গৌরবের। আপনারা (মুক্তিযোদ্ধারা) জাতির সূর্য সন্তান। কারণ আপনারাই বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের একটি দেশের অবস্থান করে দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে না পারার দুঃখ আজীবন থাকবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, আজ বক্তব্য দেবো না। শুধু অনুভূতিটুকু বলবো। আজ আপনাদের যে সম্মান দিতে পেরেছি তা অনেক কম। এই বিষয়টি সম্পর্কে গত কমিশন থেকেই আলোচনা শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তারা আপত্তি দিয়ে এটা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আপনারা যাদের সনদ দিয়েছে ন তাদের আমরা যদি জাতীয় পরিচয়পত্রে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় না দিতে পারি তাহলে এটা অগৌরবের। অবশেষে তারা বুঝতে পারায় তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে রাখার জন্য বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে অনেক কাজ করেছেন। এই সরকারের অধীনেই নির্বাচন কমিশন মুক্তিযোদ্ধাদের এই কার্ড দিয়েছে। তারা শুধু সম্মানটুকু পেতে চায়। এইটাই তাদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) দাবি বেশি না।

এসময় ১১ জন মুক্তিযোদ্ধাকে মঞ্চ থেকে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য অতিথিরা।

Bangla Photocard Generatorv3.7