Dhaka ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

মর্গে মায়ের মরদেহ, শিশুর পরিচয় খুঁজছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
  • ৭ Time View

অনলাইন ডেস্ক : ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দুই দিন ধরে পড়ে আছে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ। হাসপাতালে ভর্তি দুই বছরের শিশু অনবরত কেঁদেই চলছে। তাদের কারো পরিচয় মেলেনি এখনো। শিশুটির দেখাশোনা করছে ওয়ার্ডের লোকজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, নাম-পরিচয়হীন শিশুটি দুই দিন ধরে ভর্তি আছে শিশু ওয়ার্ডে। আত্মীয়-স্বজনকে খোঁজা হচ্ছে।

শনিবার (১১ মে) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনবরত কেঁদে যাচ্ছে দুই বছর বয়সী ছোট্ট অবুঝ শিশুটি। কোলে নিয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন রাসেল নামে এক ব্যক্তি। গরম পানিতে পুড়ে যাওয়া তার শিশুকে নিয়ে ওই ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়ার পর শিশুটি তার নজরে আসে। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স এবং রোগীর স্বজনরা মিলে দেখাশোনা করছেন শিশুটির। এখানে আসার পর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় শিশুটির দেখাশোনা করছেন তিনি। খাবার ও জামা কাপড় কিনে দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছেন রাসেল।

রাসেল জানান, শুক্রবার দুপুরে নিজের শিশু সন্তানকে নিয়ে এই ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়ার পর জানতে পারেন অজ্ঞাত পরিচয় এক শিশু এখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তারপর থেকে তিনি খেয়াল রাখছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির পরিচয় জানতে চেয়ে পোস্ট করেছেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোররাতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে অজ্ঞাত এক নারী ও শিশুকে গুরুতর আহত অবস্থায় নিয়ে আসে কয়েকজন ব্যক্তি। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হলে পরদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়। নাম পরিচয় না পাওয়ায় মরদেহ রাখা হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। এদিকে শিশুটি ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার মাথায় এবং হাতে আঘাত রয়েছে। তবে নারী ও শিশু কীভাবে বা কোথায় আহত হয়েছেন তা সঠিক জানেন না কেউ। যারা হাসপাতালে দিয়ে গেছেন তাদের ভাষ্য মতে, ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ী এলাকায় সড়কের পাশে আহত অবস্থায় পাওয়া যায় নারী ও শিশুকে।

শিশু ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফারজানা কাওছার বলেন, শিশুটির মাথায় আঘাত থাকলেও, বড় ধরনের কোনো ঝুঁকি নেই। হাতে হালকা ইনজুরি আছে। তবে পাশে বাবা-মা না থাকায় শিশুটি অনবরত কাঁদছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. জাকিউল ইসলাম জানান, ওই নারীর মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। এখনো তাদের পরিচয় জানা যায়নি। শিশুটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে। আমরা তার দেখাশোনা করছি। পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মা ও শিশুটির পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মর্গে মায়ের মরদেহ, শিশুর পরিচয় খুঁজছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

Update Time : ১২:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দুই দিন ধরে পড়ে আছে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ। হাসপাতালে ভর্তি দুই বছরের শিশু অনবরত কেঁদেই চলছে। তাদের কারো পরিচয় মেলেনি এখনো। শিশুটির দেখাশোনা করছে ওয়ার্ডের লোকজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, নাম-পরিচয়হীন শিশুটি দুই দিন ধরে ভর্তি আছে শিশু ওয়ার্ডে। আত্মীয়-স্বজনকে খোঁজা হচ্ছে।

শনিবার (১১ মে) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনবরত কেঁদে যাচ্ছে দুই বছর বয়সী ছোট্ট অবুঝ শিশুটি। কোলে নিয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন রাসেল নামে এক ব্যক্তি। গরম পানিতে পুড়ে যাওয়া তার শিশুকে নিয়ে ওই ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়ার পর শিশুটি তার নজরে আসে। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স এবং রোগীর স্বজনরা মিলে দেখাশোনা করছেন শিশুটির। এখানে আসার পর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় শিশুটির দেখাশোনা করছেন তিনি। খাবার ও জামা কাপড় কিনে দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছেন রাসেল।

রাসেল জানান, শুক্রবার দুপুরে নিজের শিশু সন্তানকে নিয়ে এই ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়ার পর জানতে পারেন অজ্ঞাত পরিচয় এক শিশু এখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তারপর থেকে তিনি খেয়াল রাখছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির পরিচয় জানতে চেয়ে পোস্ট করেছেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোররাতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে অজ্ঞাত এক নারী ও শিশুকে গুরুতর আহত অবস্থায় নিয়ে আসে কয়েকজন ব্যক্তি। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হলে পরদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়। নাম পরিচয় না পাওয়ায় মরদেহ রাখা হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। এদিকে শিশুটি ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার মাথায় এবং হাতে আঘাত রয়েছে। তবে নারী ও শিশু কীভাবে বা কোথায় আহত হয়েছেন তা সঠিক জানেন না কেউ। যারা হাসপাতালে দিয়ে গেছেন তাদের ভাষ্য মতে, ভালুকা উপজেলার স্কয়ার মাস্টারবাড়ী এলাকায় সড়কের পাশে আহত অবস্থায় পাওয়া যায় নারী ও শিশুকে।

শিশু ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফারজানা কাওছার বলেন, শিশুটির মাথায় আঘাত থাকলেও, বড় ধরনের কোনো ঝুঁকি নেই। হাতে হালকা ইনজুরি আছে। তবে পাশে বাবা-মা না থাকায় শিশুটি অনবরত কাঁদছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. জাকিউল ইসলাম জানান, ওই নারীর মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। এখনো তাদের পরিচয় জানা যায়নি। শিশুটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে। আমরা তার দেখাশোনা করছি। পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মা ও শিশুটির পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7