Dhaka ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বাসসকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করা হবে : কাদের গনি চৌধুরী ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কার আনছে সরকার : মাহদী আমিন

ভাড়া বেড়েছে ট্রেনের, কোন রুটে কত?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪
  • ৩ Time View

অনলাইন ডেস্ক : এ বছরের ৪ মে থেকে ‘দূরত্বভিত্তিক রেয়াত’ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে ট্রেনে বেশি পথ গেলে গুণতে হবে বাড়তি ভাড়া। বাংলাদেশ রেলওয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার এই তথ্য জানিয়েছে।

বর্তমানে ১০১ থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য রেয়াতের হার ২০ শতাংশ। আর ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের জন্য রেয়াতের হার ২৫ শতাংশ। ৪ মে থেকে রেয়াত প্রত্যাহার হলে ১০১ থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরত্বের ভাড়া বাড়বে ২০ শতাংশ এবং ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের জন্য ভাড়া বাড়বে ২৫ শতাংশ।

সহজ (জেভি) ও রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নতুন তালিকা অনুযায়ী আগামী ৪ মে থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে (তূর্ণা এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার শ্রেণির ভাড়া ৩৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৪০৫ টাকা ও এসি চেয়ারের (স্নিগ্ধা) টিকিটের ভাড়া ৬৫৬ থেকে বেড়ে ৭৭৭ টাকা হচ্ছে।

ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে (কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ১৫০ ও ২৮৮ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ১৬০ ও ৩০৫ টাকা।

ঢাকা-রাজশাহী রুটে (সিল্কসিটি এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৩৪০ ও ৬৫৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৪০৫ ও ৭৭১ টাকা।

ঢাকা-নোয়াখালী রুটে (উপকূল এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২৭৫ ও ৫২৪ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৩১০ ও ৫৯৩ টাকা।

ঢাকা-সিলেট রুটের (পারাবত) শোভন শ্রেণির ভাড়া ৩২০ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৩৭৫ টাকা। আর এসি টিকিটের দাম ৬১০ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৭১৯ টাকা।

ঢাকা-মোহনগঞ্জ রুটে (মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২২০ ও ৪২৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ২৫০ ও ৪৭২ টাকা।

ঢাকা-খুলনা রুটের (সুন্দরবন এক্সপ্রেস) শোভন ও এসি চেয়ারের বিদ্যমান ভাড়া যথাক্রমে ৫০০ ও ৯৫৫ টাকা। তা বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬২৫ ও ১ হাজার ১৯৬ টাকা।

ঢাকা-লালমনিরহাট রুটে (লালমনি এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৫০৫ ও ৯৬৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬৩৫ ও ১ হাজার ২১৪ টাকা।

ঢাকা-রংপুর রুটে (রংপুর এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ারের বর্তমান ভাড়া ৫০৫ টাকা। রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহারের পর নতুন ভাড়া হবে ৬০৫ টাকা। এ ট্রেনে এসি চেয়ারের ভাড়া ৯৬৬ থেকে বেড়ে হচ্ছে ১ হাজার ২১৪ টাকা।

ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে (বনলতা এক্সপ্রেস) ট্রেনে শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৪২৫ ও ৮১০ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৫১২ ও ৯৭৫ টাকা।

ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটে (কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ারের ভাড়া ৫১০ থেকে বেড়ে ৬৪৫ টাকা ও এসি চেয়ারের ভাড়া ৯৭২ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৩৭ টাকা হতে যাচ্ছে।

ঢাকা-চিলাহাটি রুটে (চিলাহাটি এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৪৯৫ ও ৯৪৯ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬২০ ও ১ হাজার ১৮৫ টাকা।

ঢাকা-বেনাপোল রুটে (বেনাপোল এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৪৮০ ও ৯২০ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬০০ ও ১ হাজার ১৫০ টাকা।

ঢাকা-ভূঞাপুর রুটে (জামালপুর এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২৬০ ও ৪৯৫ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ২৯৫ ও ৫৭০ টাকা।

ঢাকা-দেওয়াগঞ্জ রুটে (তিস্তা এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২২৫ ও ৪২৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ২৫০ ও ৪৭৬ টাকা।

এ ছাড়া শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার বাদে সব আন্তনগর ট্রেনে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে এসি সিট ও বার্থ এবং প্রথম শ্রেণির সিট ও বার্থ আসনের ভাড়াও আনুপাতিক হারে বাড়বে।

এর আগে ২০১২ ও ২০১৬ সালে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেলওয়ে। ২০১২ সালের অক্টোবরে সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১১০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল। পরে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরেক দফায় রেলের ভাড়া বাড়ানো হয় ৭ থেকে ৯ শতাংশ। এর প্রায় সাত বছর পর ২০২৩ সালের শেষার্ধে রেলওয়ের বিভিন্ন সেতু ও ভায়াডাক্টে পন্টেজ চার্জ আরোপের মাধ্যমে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

রেলওয়েতে দূরত্বভিত্তিক রেয়াতি সুবিধা চালু হয়েছিল ১৯৯২ সালে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তখন রেলের যাত্রী ও মালামাল পরিবহন হতো সক্ষমতার তুলনায় কম। যাত্রী ও মালামাল পরিবহন আকৃষ্ট করতে ওই সময় দূরত্ব ও সেকশনভিত্তিক রেয়াত সুবিধা চালু করা হয়। এর মধ্যে সেকশনভিত্তিক রেয়াত প্রত্যাহার করা হয় ২০১২ সালে। দূরত্বভিত্তিক রেয়াত সুবিধার কারণে দূরপাল্লার ভ্রমণে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ হয় দূরত্বের তুলনায় কম।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ

ভাড়া বেড়েছে ট্রেনের, কোন রুটে কত?

Update Time : ০৩:২১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : এ বছরের ৪ মে থেকে ‘দূরত্বভিত্তিক রেয়াত’ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে ট্রেনে বেশি পথ গেলে গুণতে হবে বাড়তি ভাড়া। বাংলাদেশ রেলওয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার এই তথ্য জানিয়েছে।

বর্তমানে ১০১ থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য রেয়াতের হার ২০ শতাংশ। আর ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের জন্য রেয়াতের হার ২৫ শতাংশ। ৪ মে থেকে রেয়াত প্রত্যাহার হলে ১০১ থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরত্বের ভাড়া বাড়বে ২০ শতাংশ এবং ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের জন্য ভাড়া বাড়বে ২৫ শতাংশ।

সহজ (জেভি) ও রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নতুন তালিকা অনুযায়ী আগামী ৪ মে থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে (তূর্ণা এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার শ্রেণির ভাড়া ৩৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৪০৫ টাকা ও এসি চেয়ারের (স্নিগ্ধা) টিকিটের ভাড়া ৬৫৬ থেকে বেড়ে ৭৭৭ টাকা হচ্ছে।

ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে (কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ১৫০ ও ২৮৮ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ১৬০ ও ৩০৫ টাকা।

ঢাকা-রাজশাহী রুটে (সিল্কসিটি এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৩৪০ ও ৬৫৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৪০৫ ও ৭৭১ টাকা।

ঢাকা-নোয়াখালী রুটে (উপকূল এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২৭৫ ও ৫২৪ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৩১০ ও ৫৯৩ টাকা।

ঢাকা-সিলেট রুটের (পারাবত) শোভন শ্রেণির ভাড়া ৩২০ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৩৭৫ টাকা। আর এসি টিকিটের দাম ৬১০ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৭১৯ টাকা।

ঢাকা-মোহনগঞ্জ রুটে (মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২২০ ও ৪২৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ২৫০ ও ৪৭২ টাকা।

ঢাকা-খুলনা রুটের (সুন্দরবন এক্সপ্রেস) শোভন ও এসি চেয়ারের বিদ্যমান ভাড়া যথাক্রমে ৫০০ ও ৯৫৫ টাকা। তা বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬২৫ ও ১ হাজার ১৯৬ টাকা।

ঢাকা-লালমনিরহাট রুটে (লালমনি এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৫০৫ ও ৯৬৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬৩৫ ও ১ হাজার ২১৪ টাকা।

ঢাকা-রংপুর রুটে (রংপুর এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ারের বর্তমান ভাড়া ৫০৫ টাকা। রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহারের পর নতুন ভাড়া হবে ৬০৫ টাকা। এ ট্রেনে এসি চেয়ারের ভাড়া ৯৬৬ থেকে বেড়ে হচ্ছে ১ হাজার ২১৪ টাকা।

ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে (বনলতা এক্সপ্রেস) ট্রেনে শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৪২৫ ও ৮১০ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৫১২ ও ৯৭৫ টাকা।

ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটে (কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ারের ভাড়া ৫১০ থেকে বেড়ে ৬৪৫ টাকা ও এসি চেয়ারের ভাড়া ৯৭২ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৩৭ টাকা হতে যাচ্ছে।

ঢাকা-চিলাহাটি রুটে (চিলাহাটি এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৪৯৫ ও ৯৪৯ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬২০ ও ১ হাজার ১৮৫ টাকা।

ঢাকা-বেনাপোল রুটে (বেনাপোল এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ৪৮০ ও ৯২০ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ৬০০ ও ১ হাজার ১৫০ টাকা।

ঢাকা-ভূঞাপুর রুটে (জামালপুর এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২৬০ ও ৪৯৫ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ২৯৫ ও ৫৭০ টাকা।

ঢাকা-দেওয়াগঞ্জ রুটে (তিস্তা এক্সপ্রেস) শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা) শ্রেণির ভাড়া ২২৫ ও ৪২৬ টাকা থেকে বেড়ে হবে যথাক্রমে ২৫০ ও ৪৭৬ টাকা।

এ ছাড়া শোভন চেয়ার ও এসি চেয়ার বাদে সব আন্তনগর ট্রেনে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে এসি সিট ও বার্থ এবং প্রথম শ্রেণির সিট ও বার্থ আসনের ভাড়াও আনুপাতিক হারে বাড়বে।

এর আগে ২০১২ ও ২০১৬ সালে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেলওয়ে। ২০১২ সালের অক্টোবরে সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১১০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল। পরে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরেক দফায় রেলের ভাড়া বাড়ানো হয় ৭ থেকে ৯ শতাংশ। এর প্রায় সাত বছর পর ২০২৩ সালের শেষার্ধে রেলওয়ের বিভিন্ন সেতু ও ভায়াডাক্টে পন্টেজ চার্জ আরোপের মাধ্যমে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

রেলওয়েতে দূরত্বভিত্তিক রেয়াতি সুবিধা চালু হয়েছিল ১৯৯২ সালে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তখন রেলের যাত্রী ও মালামাল পরিবহন হতো সক্ষমতার তুলনায় কম। যাত্রী ও মালামাল পরিবহন আকৃষ্ট করতে ওই সময় দূরত্ব ও সেকশনভিত্তিক রেয়াত সুবিধা চালু করা হয়। এর মধ্যে সেকশনভিত্তিক রেয়াত প্রত্যাহার করা হয় ২০১২ সালে। দূরত্বভিত্তিক রেয়াত সুবিধার কারণে দূরপাল্লার ভ্রমণে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ হয় দূরত্বের তুলনায় কম।

Bangla Photocard Generatorv3.7