Dhaka ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক

রাবি শিক্ষক সমিতির এক বিজ্ঞপ্তিতে ৪০ বানান ভুল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
  • ১২ Time View

স্টাফ রিপোর্টার : সর্বজনীন পেনশন স্কিমসংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন’ প্রত্যাহার এবং পূর্বের পেনশন স্কিম চালু রাখার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শিক্ষক সমিতি প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৪০টি বানান ভুল ও অসংগতি লক্ষ করা গেছে।

রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক সরকার স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে এসব ভুল চিহ্নিত করা হয়েছে।

তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে ভুলগুলো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। তিনি এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার কথা বলেছেন।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী, এই নোটিশে পাওয়া ভুলগুলো হলো— ‘৩০ জুন ২০২৪, নিবেন, জারিকৃত, স্কিম সংক্রান্ত, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকগনের, শিক্ষকগনের, আহবানে, থেকে (এ-কারের উপর মাত্রা দেওয়া হয়েছে), ঘোষনা, নিম্নরুপ, বিভগ, ক্লাশসমূহ, অনলাইন (অনলাইন নয়; অনলাইন ক্লাস। অন্যগুলোর সঙ্গে ‘ক্লাস’ লেখা হয়েছে), সান্ধ্যকালীন, সবধরনের, কোন, একাডেমিক, ‘অফিস,সেমিনার,কম্পিউটার’, ‘কমিটি,পরিকল্পনা’, ‘কমিটি,প্রশ্নপত্র’, ‘সেমিনার,কনফারেন্স’, ১১.০০-১২.০০ মিনিট, ব্যাতিত, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের, স্বায়ত্ত্বশাসনে, কর্মসূচী’। একই বানান বারবার ভুল হওয়ায় পুনরাবৃত্তি এড়াতে সেগুলো একবার করে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপর্যুক্ত অসংগতি ও ভুল বানানগুলোর প্রমিতরূপ হলো— ‘৩০শে জুন ২০২৪, নেবেন, জারীকৃত, স্কিমসংক্রান্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের বা বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষকগণের, শিক্ষকগণের, আহ্বানে, ঘোষণা, নিম্নরূপ, বিভাগ, ক্লাসসমূহ, সান্ধ্য বা সন্ধ্যাকালীন, সব ধরনের, কোনো, অ্যাকাডেমিক, ‘অফিস, সেমিনার, কম্পিউটার’, ‘কমিটি, পরিকল্পনা’, ‘কমিটি, প্রশ্নপত্র’, ‘সেমিনার, কনফারেন্স’, ১১.০০-১২.০০টা, ব্যতীত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বা বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষকদের, স্বায়ত্তশাসনে, কর্মসূচি।

উপর্যুক্ত নোটিশে যে ভুলগুলো হয়েছে তার মধ্যে কিছু ভুলের ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো-

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানের পরিশিষ্ট ‘গ’-এ বাংলা তারিখ ও সময় লেখার নিয়ম বিধৃত হয়েছে। শুদ্ধ ও মান্য রীতি অনুয়ায়ী পয়লা বৈশাখ, অ্যাগারোই জ্যৈষ্ঠ, শোলোই ডিসেম্বর, পোঁচিশে বৈশাখ প্রভৃতি। উপর্যুক্ত নোটিশে সব জায়গায় ‘১লা জুলাই’ লিখলেও ‘৩০ জুন’ লেখা হয়েছে। যা এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে।

শব্দের শেষে করণ, কৃত, ভবন, ভূত প্রভৃতি প্রত্যয় যুক্ত হলে সাধারণত ঈ-কার আগম হয়। সে হিসেবে ‘জারিকৃত’ না হয়ে ‘জারীকৃত’ হবে।

‘সংক্রান্ত’ শব্দাংশের স্বাধীন ব্যবহার নেই। এটি সর্বদা অন্য শব্দের সঙ্গে সেঁটে বসে। ‘সংক্রান্ত’ পূর্ববর্তী শব্দের সঙ্গে সেঁটে বসে। সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান (বাএআবাঅ), পৃষ্ঠা: ১২৬৪। কিন্তু বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে ‘পেনশন সংক্রান্ত’। যা ভুল। সঠিক হবে ‘পেনশনসংক্রান্ত’।

সান্ধ্যকালীন’ শব্দটি ভুল, অর্থহীন ও হাস্যকর। ‘বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান’ অনুযায়ী, বাক্যে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত সংস্কৃত ‘সান্ধ্য’(সন্ধ্যা+অ) শব্দের অর্থ সন্ধ্যাকালীন, সন্ধ্যাবেলার, সন্ধ্যাসম্পর্কিত। মূলত ‘সান্ধ্য’ শব্দের অর্থ ‘সন্ধ্যাকালীন’। সুতরাং সান্ধ্যকালীন নয়; সঠিক হবে সন্ধ্যাকালীন বা সান্ধ্য।

‘কোন’ শব্দটি যখন সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয় তখন এর অর্থ: কী, কে, কোনটি (কোন দিন, কোনটি চাই, কোন জন)। এটি কোনও বা কোনো শব্দের সমার্থক নয়। যেমন: “আপনি কোন দেশে থাকেন” বাক্যে একই অর্থ: প্রকাশের জন্য ‘কোনও’ বা ‘কোনো’ পদ ব্যবহার করা যাবে না। বাক্যে সর্বনাম ও বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত বাংলা ‘কোনো’ শব্দের অর্থ: অনির্দিষ্ট বা অনির্ধারিত একজন লোক বিষয় বা বস্তু, কে বা কী (কোনো বিষয়), বহুর মধ্যে একটি বা একজন বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ৩৩৭, ৩৩৮। নোটিশে ‘কোনো’-এর পরিবর্তে সব জায়গায় ‘কোন’ লেখা হয়েছে।

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম পুস্তিকার ২.১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ও মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারচিহ্ন ব্যবহৃত হবে। কারণ বাংলায় উচ্চারণগত দীর্ঘস্বর নেই। ই, ঈ এবং উ, ঊ প্রভৃতির উচ্চারণ অভিন্ন। তাই অতৎসম (দেশি, বিদেশি) শব্দে ঈ-কার নিষ্প্রয়োজন। তবে লাইব্রেরী, ফার্মেসী, এগ্রোনমী শব্দের মতো বিদেশি বানানে ঈ-কার দিয়ে লেখা হয়েছে।

যতিচিহ্নের পর এক-বর্ণ ফাঁক রাখার নিয়ম থাকলেও ‘অফিস,সেমিনার,কম্পিউটার’, ‘কমিটি,পরিকল্পনা’, ‘কমিটি,প্রশ্নপত্র’, ‘সেমিনার,কনফারেন্স’ শব্দগুলোর ক্ষেত্রে সেই নিয়ম না মেনে ফাঁক না রেখেই লেখা হয়েছে।

এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে আমাদের হয়তো কিছু ভুল হয়ে গেছে। যে ভুলগুলো দেখা দিয়েছে আমরা সেগুলো সংশোধন করে নেব। ওটা সাধারণ সম্পাদক করেছিলেন আমি ঠিক জানি না, ওনার সাথে আমি কথা বলব। আমরা এটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা

রাবি শিক্ষক সমিতির এক বিজ্ঞপ্তিতে ৪০ বানান ভুল

Update Time : ০৭:১২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার : সর্বজনীন পেনশন স্কিমসংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন’ প্রত্যাহার এবং পূর্বের পেনশন স্কিম চালু রাখার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শিক্ষক সমিতি প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৪০টি বানান ভুল ও অসংগতি লক্ষ করা গেছে।

রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক সরকার স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে এসব ভুল চিহ্নিত করা হয়েছে।

তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে ভুলগুলো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। তিনি এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার কথা বলেছেন।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী, এই নোটিশে পাওয়া ভুলগুলো হলো— ‘৩০ জুন ২০২৪, নিবেন, জারিকৃত, স্কিম সংক্রান্ত, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকগনের, শিক্ষকগনের, আহবানে, থেকে (এ-কারের উপর মাত্রা দেওয়া হয়েছে), ঘোষনা, নিম্নরুপ, বিভগ, ক্লাশসমূহ, অনলাইন (অনলাইন নয়; অনলাইন ক্লাস। অন্যগুলোর সঙ্গে ‘ক্লাস’ লেখা হয়েছে), সান্ধ্যকালীন, সবধরনের, কোন, একাডেমিক, ‘অফিস,সেমিনার,কম্পিউটার’, ‘কমিটি,পরিকল্পনা’, ‘কমিটি,প্রশ্নপত্র’, ‘সেমিনার,কনফারেন্স’, ১১.০০-১২.০০ মিনিট, ব্যাতিত, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের, স্বায়ত্ত্বশাসনে, কর্মসূচী’। একই বানান বারবার ভুল হওয়ায় পুনরাবৃত্তি এড়াতে সেগুলো একবার করে উল্লেখ করা হয়েছে।

উপর্যুক্ত অসংগতি ও ভুল বানানগুলোর প্রমিতরূপ হলো— ‘৩০শে জুন ২০২৪, নেবেন, জারীকৃত, স্কিমসংক্রান্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের বা বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষকগণের, শিক্ষকগণের, আহ্বানে, ঘোষণা, নিম্নরূপ, বিভাগ, ক্লাসসমূহ, সান্ধ্য বা সন্ধ্যাকালীন, সব ধরনের, কোনো, অ্যাকাডেমিক, ‘অফিস, সেমিনার, কম্পিউটার’, ‘কমিটি, পরিকল্পনা’, ‘কমিটি, প্রশ্নপত্র’, ‘সেমিনার, কনফারেন্স’, ১১.০০-১২.০০টা, ব্যতীত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বা বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষকদের, স্বায়ত্তশাসনে, কর্মসূচি।

উপর্যুক্ত নোটিশে যে ভুলগুলো হয়েছে তার মধ্যে কিছু ভুলের ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো-

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানের পরিশিষ্ট ‘গ’-এ বাংলা তারিখ ও সময় লেখার নিয়ম বিধৃত হয়েছে। শুদ্ধ ও মান্য রীতি অনুয়ায়ী পয়লা বৈশাখ, অ্যাগারোই জ্যৈষ্ঠ, শোলোই ডিসেম্বর, পোঁচিশে বৈশাখ প্রভৃতি। উপর্যুক্ত নোটিশে সব জায়গায় ‘১লা জুলাই’ লিখলেও ‘৩০ জুন’ লেখা হয়েছে। যা এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে।

শব্দের শেষে করণ, কৃত, ভবন, ভূত প্রভৃতি প্রত্যয় যুক্ত হলে সাধারণত ঈ-কার আগম হয়। সে হিসেবে ‘জারিকৃত’ না হয়ে ‘জারীকৃত’ হবে।

‘সংক্রান্ত’ শব্দাংশের স্বাধীন ব্যবহার নেই। এটি সর্বদা অন্য শব্দের সঙ্গে সেঁটে বসে। ‘সংক্রান্ত’ পূর্ববর্তী শব্দের সঙ্গে সেঁটে বসে। সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান (বাএআবাঅ), পৃষ্ঠা: ১২৬৪। কিন্তু বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে ‘পেনশন সংক্রান্ত’। যা ভুল। সঠিক হবে ‘পেনশনসংক্রান্ত’।

সান্ধ্যকালীন’ শব্দটি ভুল, অর্থহীন ও হাস্যকর। ‘বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান’ অনুযায়ী, বাক্যে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত সংস্কৃত ‘সান্ধ্য’(সন্ধ্যা+অ) শব্দের অর্থ সন্ধ্যাকালীন, সন্ধ্যাবেলার, সন্ধ্যাসম্পর্কিত। মূলত ‘সান্ধ্য’ শব্দের অর্থ ‘সন্ধ্যাকালীন’। সুতরাং সান্ধ্যকালীন নয়; সঠিক হবে সন্ধ্যাকালীন বা সান্ধ্য।

‘কোন’ শব্দটি যখন সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয় তখন এর অর্থ: কী, কে, কোনটি (কোন দিন, কোনটি চাই, কোন জন)। এটি কোনও বা কোনো শব্দের সমার্থক নয়। যেমন: “আপনি কোন দেশে থাকেন” বাক্যে একই অর্থ: প্রকাশের জন্য ‘কোনও’ বা ‘কোনো’ পদ ব্যবহার করা যাবে না। বাক্যে সর্বনাম ও বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত বাংলা ‘কোনো’ শব্দের অর্থ: অনির্দিষ্ট বা অনির্ধারিত একজন লোক বিষয় বা বস্তু, কে বা কী (কোনো বিষয়), বহুর মধ্যে একটি বা একজন বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ৩৩৭, ৩৩৮। নোটিশে ‘কোনো’-এর পরিবর্তে সব জায়গায় ‘কোন’ লেখা হয়েছে।

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম পুস্তিকার ২.১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ও মিশ্র শব্দে কেবল ই এবং উ এবং এদের কারচিহ্ন ব্যবহৃত হবে। কারণ বাংলায় উচ্চারণগত দীর্ঘস্বর নেই। ই, ঈ এবং উ, ঊ প্রভৃতির উচ্চারণ অভিন্ন। তাই অতৎসম (দেশি, বিদেশি) শব্দে ঈ-কার নিষ্প্রয়োজন। তবে লাইব্রেরী, ফার্মেসী, এগ্রোনমী শব্দের মতো বিদেশি বানানে ঈ-কার দিয়ে লেখা হয়েছে।

যতিচিহ্নের পর এক-বর্ণ ফাঁক রাখার নিয়ম থাকলেও ‘অফিস,সেমিনার,কম্পিউটার’, ‘কমিটি,পরিকল্পনা’, ‘কমিটি,প্রশ্নপত্র’, ‘সেমিনার,কনফারেন্স’ শব্দগুলোর ক্ষেত্রে সেই নিয়ম না মেনে ফাঁক না রেখেই লেখা হয়েছে।

এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে আমাদের হয়তো কিছু ভুল হয়ে গেছে। যে ভুলগুলো দেখা দিয়েছে আমরা সেগুলো সংশোধন করে নেব। ওটা সাধারণ সম্পাদক করেছিলেন আমি ঠিক জানি না, ওনার সাথে আমি কথা বলব। আমরা এটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

Bangla Photocard Generatorv3.7