Dhaka ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ

তালপাতায় লেখা তিন শতাব্দী পুরোনো রায় সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ২৯ Time View

সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘর। ছবি: বাসস

॥এস এম আশিকুজ্জামান॥

 

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা, ৯ জুন, ২০২৬ : ১৭১০ সালের তালপাতায় লেখা একটি দুর্লভ রায়। হাতে লেখা বাংলাদেশের মূল সংবিধানের কপি। ঐতিহাসিক ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলার রায়। বিচার বিভাগের এমন অসংখ্য মূল্যবান দলিল, ব্যবহৃত সামগ্রী ও দুর্লভ আলোকচিত্র সংরক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘর।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরটি ধীরে ধীরে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, গবেষক ও সাধারণ মানুষের আগ্রহের অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার আগে ও পরে বিচার বিভাগের নানা গুরুত্বপূর্ণ দলিল, পুরোনো আদালত কক্ষের ব্যবহার্য সামগ্রী, সাবেক প্রধান বিচারপতিদের আলোকচিত্র, ঐতিহাসিক রায়ের অনুলিপি এবং বিচারব্যবস্থার বিবর্তনের নানা তথ্যচিত্র এখানে সংরক্ষিত রয়েছে।

জাদুঘরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্রমবিকাশের ধারাবাহিক উপস্থাপন। ইতিহাসের নানা বাঁক পেরিয়ে গড়ে ওঠা বিচারব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্মারকগুলো সাজানো হয়েছে সময়ের ধারায়।

এসব সংগ্রহের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ ১৭১০ সালের তালপাতায় লেখা একটি দুর্লভ রায়। রায়টি বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রেকর্ড রুম থেকে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছিল। পরে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রেকর্ড রুম থেকে এটি সংগ্রহ করে সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়।

ছবি: বাসস

ছবি: বাসস

হাতে লেখা বাংলাদেশের মূল সংবিধানের কপির পাশাপাশি জাদুঘরে স্থান পেয়েছে ঐতিহাসিক ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলার রায়। রয়েছে তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্ট ও ঢাকা হাইকোর্টের দেয়াল ঘড়ি। বিচারপতিদের ব্যবহৃত দোয়াত-কলম, ব্যান্ড, গাউন ও উইগও সংরক্ষিত আছে এখানে।

জাদুঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে রয়েছে সাবেক প্রধান বিচারপতি ও বিশিষ্ট বিচারকদের ব্যবহৃত গাউন, কলম, ফাইল, চশমা ও আসবাবপত্র। এসব সামগ্রী বিচার বিভাগের ঐতিহ্য ও গৌরবের নীরব সাক্ষী। এছাড়া বিভিন্ন সময়ের আদালত ভবনের ছবি, বিচারকদের শপথ অনুষ্ঠান এবং ঐতিহাসিক বিচার কার্যক্রমের আলোকচিত্রও প্রদর্শন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে বলেন, ‘আমাদের এই জাদুঘরটি বিচার বিভাগের ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আস্থা ও আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে নতুন আইনজীবী ও আইনের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে দেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারেন।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরটি ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন উদ্বোধন করেন।

সুত্র: বাসস

Bangla Photocard Generatorv3.7
জনপ্রিয়

যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফলাফল

তালপাতায় লেখা তিন শতাব্দী পুরোনো রায় সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরে

Update Time : ০২:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘর। ছবি: বাসস

॥এস এম আশিকুজ্জামান॥

 

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা, ৯ জুন, ২০২৬ : ১৭১০ সালের তালপাতায় লেখা একটি দুর্লভ রায়। হাতে লেখা বাংলাদেশের মূল সংবিধানের কপি। ঐতিহাসিক ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলার রায়। বিচার বিভাগের এমন অসংখ্য মূল্যবান দলিল, ব্যবহৃত সামগ্রী ও দুর্লভ আলোকচিত্র সংরক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘর।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরটি ধীরে ধীরে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, গবেষক ও সাধারণ মানুষের আগ্রহের অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার আগে ও পরে বিচার বিভাগের নানা গুরুত্বপূর্ণ দলিল, পুরোনো আদালত কক্ষের ব্যবহার্য সামগ্রী, সাবেক প্রধান বিচারপতিদের আলোকচিত্র, ঐতিহাসিক রায়ের অনুলিপি এবং বিচারব্যবস্থার বিবর্তনের নানা তথ্যচিত্র এখানে সংরক্ষিত রয়েছে।

জাদুঘরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্রমবিকাশের ধারাবাহিক উপস্থাপন। ইতিহাসের নানা বাঁক পেরিয়ে গড়ে ওঠা বিচারব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্মারকগুলো সাজানো হয়েছে সময়ের ধারায়।

এসব সংগ্রহের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ ১৭১০ সালের তালপাতায় লেখা একটি দুর্লভ রায়। রায়টি বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রেকর্ড রুম থেকে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছিল। পরে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রেকর্ড রুম থেকে এটি সংগ্রহ করে সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়।

ছবি: বাসস

ছবি: বাসস

হাতে লেখা বাংলাদেশের মূল সংবিধানের কপির পাশাপাশি জাদুঘরে স্থান পেয়েছে ঐতিহাসিক ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলার রায়। রয়েছে তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্ট ও ঢাকা হাইকোর্টের দেয়াল ঘড়ি। বিচারপতিদের ব্যবহৃত দোয়াত-কলম, ব্যান্ড, গাউন ও উইগও সংরক্ষিত আছে এখানে।

জাদুঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে রয়েছে সাবেক প্রধান বিচারপতি ও বিশিষ্ট বিচারকদের ব্যবহৃত গাউন, কলম, ফাইল, চশমা ও আসবাবপত্র। এসব সামগ্রী বিচার বিভাগের ঐতিহ্য ও গৌরবের নীরব সাক্ষী। এছাড়া বিভিন্ন সময়ের আদালত ভবনের ছবি, বিচারকদের শপথ অনুষ্ঠান এবং ঐতিহাসিক বিচার কার্যক্রমের আলোকচিত্রও প্রদর্শন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে বলেন, ‘আমাদের এই জাদুঘরটি বিচার বিভাগের ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আস্থা ও আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে নতুন আইনজীবী ও আইনের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে দেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারেন।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট জাদুঘরটি ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন উদ্বোধন করেন।

সুত্র: বাসস

Bangla Photocard Generatorv3.7