Dhaka ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বাসসকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করা হবে : কাদের গনি চৌধুরী

সীমান্তে উত্তর কোরিয়াবিরোধী প্রচারণা বন্ধ করল দক্ষিণ কোরিয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪ Time View

অনলাইন ডেস্ক : সীমান্ত এলাকায় উত্তর কোরিয়াবিরোধী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ করছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মাইয়ুং-এর সাম্প্রতিক এক ঘোষণার পর এ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।

উত্তর কোরিয়া সীমান্তের কাছে লাউড স্পিকারে দেশটির বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা চালত দক্ষিণ কোরিয়া। আজ সোমবার থেকে এসব লাউড স্পিকার সরানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।

কোরিয়া একসময় অবিভক্ত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দেশটি দখল করে জাপান। ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি এবং জাপানের কাছ থেকে মুক্তির পর নতুন সংকট দেখা দেয় কোরিয়ায়। দেশটিতে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রপন্থি দু’টি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়। এ দুই গোষ্ঠী ১৯৫০ সাল থেকে ক্ষমতা দখলের জন্য যুদ্ধ শুরু করে। পরে ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে কোরিয়া উপদ্বীপে যুদ্ধের অবসান এবং উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া নামে দু’টি রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। সেই থেকে উত্তর কোরিয়া সমাজতান্ত্রিক এবং দক্ষিণ কোরিয়া উদার গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত।

ভৌগলিকভাবে উত্তর কোরিয়া পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। ১৯৫৩ সালে উদ্ভবের পর থেকেই রেষারেষি চলছে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়াবিরোধী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ এবং লাউড স্পিকার সরানোর প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “আমরা আমাদের উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনার প্রশমন চাই। সীমান্ত এলাকায় আর উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে না; সবগুলো লাউড স্পিকার সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মাইয়ুং এই আদেশ দিয়েছেন।’

“আমরা আশা করছি, দক্ষিণ কোরিয়ার এই বাস্তব ও ব্যবহারিক পদক্ষেপ দুই দেশের উত্তেজনা প্রশসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া—দুই দেশই সীমান্ত এলাকায় লাউড স্পিকারের মাধ্যমে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচার-প্রচারণা চালায়। ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন সীমান্তে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধের পাশাপাশি সীমান্ত থেকে লাউড স্পিকার প্রত্যাহারও করেছিলেন তিনি।

কিন্তু তার উত্তরসূরী এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়ুন-সুক ইওল গত বছর থেকে ফের সীমান্তে লাউড স্পিকার মোতায়েন করেন।

দেশজুড়ে সামরিক আইন জারির জেরে ২০২৪ সালে দক্ষিণি কোরিয়ার পার্লামেন্টে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন ইয়ুন সুক ইওল।

সূত্র : রয়টার্স

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল

সীমান্তে উত্তর কোরিয়াবিরোধী প্রচারণা বন্ধ করল দক্ষিণ কোরিয়া

Update Time : ০৮:০০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : সীমান্ত এলাকায় উত্তর কোরিয়াবিরোধী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ করছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মাইয়ুং-এর সাম্প্রতিক এক ঘোষণার পর এ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।

উত্তর কোরিয়া সীমান্তের কাছে লাউড স্পিকারে দেশটির বিরুদ্ধে প্রচার-প্রচারণা চালত দক্ষিণ কোরিয়া। আজ সোমবার থেকে এসব লাউড স্পিকার সরানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।

কোরিয়া একসময় অবিভক্ত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দেশটি দখল করে জাপান। ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি এবং জাপানের কাছ থেকে মুক্তির পর নতুন সংকট দেখা দেয় কোরিয়ায়। দেশটিতে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রপন্থি দু’টি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়। এ দুই গোষ্ঠী ১৯৫০ সাল থেকে ক্ষমতা দখলের জন্য যুদ্ধ শুরু করে। পরে ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে কোরিয়া উপদ্বীপে যুদ্ধের অবসান এবং উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া নামে দু’টি রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। সেই থেকে উত্তর কোরিয়া সমাজতান্ত্রিক এবং দক্ষিণ কোরিয়া উদার গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে পরিচিত।

ভৌগলিকভাবে উত্তর কোরিয়া পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত। ১৯৫৩ সালে উদ্ভবের পর থেকেই রেষারেষি চলছে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়াবিরোধী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ এবং লাউড স্পিকার সরানোর প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “আমরা আমাদের উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনার প্রশমন চাই। সীমান্ত এলাকায় আর উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে না; সবগুলো লাউড স্পিকার সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মাইয়ুং এই আদেশ দিয়েছেন।’

“আমরা আশা করছি, দক্ষিণ কোরিয়ার এই বাস্তব ও ব্যবহারিক পদক্ষেপ দুই দেশের উত্তেজনা প্রশসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া—দুই দেশই সীমান্ত এলাকায় লাউড স্পিকারের মাধ্যমে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচার-প্রচারণা চালায়। ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন সীমান্তে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধের পাশাপাশি সীমান্ত থেকে লাউড স্পিকার প্রত্যাহারও করেছিলেন তিনি।

কিন্তু তার উত্তরসূরী এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়ুন-সুক ইওল গত বছর থেকে ফের সীমান্তে লাউড স্পিকার মোতায়েন করেন।

দেশজুড়ে সামরিক আইন জারির জেরে ২০২৪ সালে দক্ষিণি কোরিয়ার পার্লামেন্টে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন ইয়ুন সুক ইওল।

সূত্র : রয়টার্স

Bangla Photocard Generatorv3.7