Dhaka ০৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বাসসকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করা হবে : কাদের গনি চৌধুরী

ট্রাম্পের কঠোর শুল্ক আরোপের হুমকিতে চাপ নয়, বরং স্বস্তিতে রাশিয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৩ Time View

অনলাইন ডেস্ক : হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সোমবার খুব কড়া ভাষায় বক্তব্য রাখছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনে নতুন করে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের ঘোষণা দিচ্ছিলেন তিনি।

এছাড়া রাশিয়ার ওপর নতুন করে বড় ধরনের শুল্ক আরোপের হুমকিও দিচ্ছিলেন, যা কার্যকর হলে রাশিয়ার যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতায়ও আঘাত হানতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণার মস্কো স্টক এক্সচেঞ্জ কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিল? দেখা গেছে সেখানে শেয়ারের দর গড়ে ২.৭ শতাংশ বেড়েছে।

এর কারণ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার জন্য প্রস্তুত ছিল রাশিয়া। রাশিয়ান ট্যাবলয়েড মস্কোভস্কি কমসোমোলেটস তাদের সোমবারের সংস্করণে সতর্কবার্তা দিয়েছে, “ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা নতুন করে সংঘর্ষের দিকে এগোচ্ছে।”

এখানে বলা হয়েছে, “ট্রাম্পের সোমবারের চমক আমাদের দেশের জন্য সুখকর হবে না।”

অবশ্য “সুখক “ না হলেও এই ঘটনায় স্বস্তি পাচ্ছে রাশিয়া। উদাহরণস্বরূপ, রাশিয়ার বাণিজ্যিক অংশীদারদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফার শুল্ক আরোপ মাত্র ৫০ দিনের মধ্যেই শুরু হবে। এ প্রেক্ষাপট মস্কোকে পাল্টা প্রস্তাব নিয়ে আসতে এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন আরও বিলম্বিত করার জন্য যথেষ্ট সময় দেবে।

তবুও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা রাশিয়ার প্রতি আরও কঠোর দৃষ্টিভঙ্গিই নির্দেশ করে। এছাড়া এটি ভ্লাদিমির পুতিনের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরে অনীহার প্রতি তার হতাশাকেও প্রতিফলিত করে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধ করাকে তার পররাষ্ট্র নীতির অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। কয়েক মাস ধরে, মস্কো “হ্যাঁ, কিন্তু…” এমন প্রতিক্রিয়া দিয়েই কাটিয়েছে।

এক্ষেত্রে গেল মার্চে রাশিয়ারও ইতিবাচক সাড়া ছিল, যখন তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছিল। তবে তখন তারা কিয়েভের সাথে পশ্চিমা সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি বন্ধ করা এবং সেই সাথে ইউক্রেনে সামরিক সমাবেশও বন্ধ করার কথা বলেছিল।

হ্যাঁ, মস্কো জোর দিয়ে বলেছে, তারা শান্তি চায়। কিন্তু যুদ্ধের “মূল কারণগুলো” প্রথমে সমাধান করতে হবে। ক্রেমলিন এগুলোকে ইউক্রেন এবং পশ্চিমাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে একেবারে ভিন্নভাবে দেখে।

এই যুদ্ধ কিয়েভ, ন্যাটো, ‘সমষ্টিগত পশ্চিমা’ থেকে রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য বহিরাগত হুমকির ফলাফল। যদিও, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন, ন্যাটো বা পশ্চিমারা রাশিয়া আক্রমণ করেনি। মস্কোই ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে বড় স্থলযুদ্ধের সূত্রপাত করেছিল।

বেশ কিছুদিন ধরে, “হ্যাঁ, কিন্তু…” পদ্ধতির ফলে মস্কো যুদ্ধের বিচার অব্যাহত রেখে অতিরিক্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ার সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করতে এবং ইউক্রেনের বিষয়ে শান্তি চুক্তির জন্য আলোচনা করতে আগ্রহী ট্রাম্প প্রশাসন। তারা রাশিয়ান কর্মকর্তাদের সাথে কথোপকথনে এটিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।

ক্রেমলিনের সমালোচকরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে “হ্যাঁ, কিন্তু”… কৌশলের মাধ্যমে রাশিয়া সময় নষ্ট করছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশা করেছিলেন যে তিনি ভ্লাদিমির পুতিনকে একটি চুক্তিতে রাজি করানোর উপায় খুঁজে পাবেন।

এক্ষেত্রে অবশ্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোনো তাড়াহুড়ো করেননি। ক্রেমলিন বিশ্বাস করে, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, তারা শান্তি চায়, তবে তার নিজেদের শর্তে।

যে শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা থেকে স্পষ্ট, এটি ঘটবে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর “খুশি নন”।

ট্যাবলয়েড মস্কোভস্কি কমসোমোলেটস সোমবার লিখেছে, মোহভঙ্গ একটি দ্বিমুখী রাস্তা। রাশিয়াও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রেম থেকে সরে যাচ্ছে। (ট্রাম্প) স্পষ্টতই জাঁকজমকের ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেন এবং তার মুখও খুব বড়।

সোমবার দেওয়া বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ন্যাটো দেশগুলোর মাধ্যমে ইউক্রেনে “সর্বোচ্চ মূল্যের অস্ত্র” পাঠাবে আমেরিকা। একই সাথে ৫০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার চুক্তি না হলে রাশিয়ার ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

ওয়াশিংটনে ন্যাটো প্রধান মার্ক রুটের সাথে বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে ইউক্রেন যা করতে চায় তা করতে পারে।”

মার্ক রুটও নিশ্চিত করেছেন, আমেরিকা “ন্যাটোর মাধ্যমে ইউক্রেনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ব্যাপকভাবে সরবরাহ করার” সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ইউরোপীয়রা এই বিল বহন করবে।

কিয়েভকে তাদের নিজস্ব প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে ইউরোপীয় দেশগুলো। রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা প্রতিহত করার জন্য যার ওপর ইউক্রেন ব্যাপকভাবে নির্ভর করে। এছাড়া এরপর যুক্তরাষ্ট্র এসব পুনরায় স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখবে বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

রুট বা ট্রাম্প কেউই কিয়েভে পাঠানো অস্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত বলেননি। তবে রুট বলেছেন, চুক্তিতে “ক্ষেপণাস্ত্র এবং গোলাবারুদ” অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিবিসি বাংলা

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল

ট্রাম্পের কঠোর শুল্ক আরোপের হুমকিতে চাপ নয়, বরং স্বস্তিতে রাশিয়া

Update Time : ০৮:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সোমবার খুব কড়া ভাষায় বক্তব্য রাখছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইউক্রেনে নতুন করে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের ঘোষণা দিচ্ছিলেন তিনি।

এছাড়া রাশিয়ার ওপর নতুন করে বড় ধরনের শুল্ক আরোপের হুমকিও দিচ্ছিলেন, যা কার্যকর হলে রাশিয়ার যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতায়ও আঘাত হানতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন ঘোষণার মস্কো স্টক এক্সচেঞ্জ কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিল? দেখা গেছে সেখানে শেয়ারের দর গড়ে ২.৭ শতাংশ বেড়েছে।

এর কারণ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার জন্য প্রস্তুত ছিল রাশিয়া। রাশিয়ান ট্যাবলয়েড মস্কোভস্কি কমসোমোলেটস তাদের সোমবারের সংস্করণে সতর্কবার্তা দিয়েছে, “ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া ও আমেরিকা নতুন করে সংঘর্ষের দিকে এগোচ্ছে।”

এখানে বলা হয়েছে, “ট্রাম্পের সোমবারের চমক আমাদের দেশের জন্য সুখকর হবে না।”

অবশ্য “সুখক “ না হলেও এই ঘটনায় স্বস্তি পাচ্ছে রাশিয়া। উদাহরণস্বরূপ, রাশিয়ার বাণিজ্যিক অংশীদারদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফার শুল্ক আরোপ মাত্র ৫০ দিনের মধ্যেই শুরু হবে। এ প্রেক্ষাপট মস্কোকে পাল্টা প্রস্তাব নিয়ে আসতে এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন আরও বিলম্বিত করার জন্য যথেষ্ট সময় দেবে।

তবুও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা রাশিয়ার প্রতি আরও কঠোর দৃষ্টিভঙ্গিই নির্দেশ করে। এছাড়া এটি ভ্লাদিমির পুতিনের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরে অনীহার প্রতি তার হতাশাকেও প্রতিফলিত করে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধ করাকে তার পররাষ্ট্র নীতির অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। কয়েক মাস ধরে, মস্কো “হ্যাঁ, কিন্তু…” এমন প্রতিক্রিয়া দিয়েই কাটিয়েছে।

এক্ষেত্রে গেল মার্চে রাশিয়ারও ইতিবাচক সাড়া ছিল, যখন তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছিল। তবে তখন তারা কিয়েভের সাথে পশ্চিমা সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি বন্ধ করা এবং সেই সাথে ইউক্রেনে সামরিক সমাবেশও বন্ধ করার কথা বলেছিল।

হ্যাঁ, মস্কো জোর দিয়ে বলেছে, তারা শান্তি চায়। কিন্তু যুদ্ধের “মূল কারণগুলো” প্রথমে সমাধান করতে হবে। ক্রেমলিন এগুলোকে ইউক্রেন এবং পশ্চিমাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে একেবারে ভিন্নভাবে দেখে।

এই যুদ্ধ কিয়েভ, ন্যাটো, ‘সমষ্টিগত পশ্চিমা’ থেকে রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য বহিরাগত হুমকির ফলাফল। যদিও, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন, ন্যাটো বা পশ্চিমারা রাশিয়া আক্রমণ করেনি। মস্কোই ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ শুরু করে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে বড় স্থলযুদ্ধের সূত্রপাত করেছিল।

বেশ কিছুদিন ধরে, “হ্যাঁ, কিন্তু…” পদ্ধতির ফলে মস্কো যুদ্ধের বিচার অব্যাহত রেখে অতিরিক্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সক্ষম হয়েছে। রাশিয়ার সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করতে এবং ইউক্রেনের বিষয়ে শান্তি চুক্তির জন্য আলোচনা করতে আগ্রহী ট্রাম্প প্রশাসন। তারা রাশিয়ান কর্মকর্তাদের সাথে কথোপকথনে এটিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।

ক্রেমলিনের সমালোচকরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে “হ্যাঁ, কিন্তু”… কৌশলের মাধ্যমে রাশিয়া সময় নষ্ট করছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশা করেছিলেন যে তিনি ভ্লাদিমির পুতিনকে একটি চুক্তিতে রাজি করানোর উপায় খুঁজে পাবেন।

এক্ষেত্রে অবশ্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোনো তাড়াহুড়ো করেননি। ক্রেমলিন বিশ্বাস করে, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, তারা শান্তি চায়, তবে তার নিজেদের শর্তে।

যে শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা থেকে স্পষ্ট, এটি ঘটবে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর “খুশি নন”।

ট্যাবলয়েড মস্কোভস্কি কমসোমোলেটস সোমবার লিখেছে, মোহভঙ্গ একটি দ্বিমুখী রাস্তা। রাশিয়াও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রেম থেকে সরে যাচ্ছে। (ট্রাম্প) স্পষ্টতই জাঁকজমকের ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেন এবং তার মুখও খুব বড়।

সোমবার দেওয়া বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ন্যাটো দেশগুলোর মাধ্যমে ইউক্রেনে “সর্বোচ্চ মূল্যের অস্ত্র” পাঠাবে আমেরিকা। একই সাথে ৫০ দিনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার চুক্তি না হলে রাশিয়ার ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

ওয়াশিংটনে ন্যাটো প্রধান মার্ক রুটের সাথে বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে ইউক্রেন যা করতে চায় তা করতে পারে।”

মার্ক রুটও নিশ্চিত করেছেন, আমেরিকা “ন্যাটোর মাধ্যমে ইউক্রেনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ব্যাপকভাবে সরবরাহ করার” সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ইউরোপীয়রা এই বিল বহন করবে।

কিয়েভকে তাদের নিজস্ব প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে ইউরোপীয় দেশগুলো। রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা প্রতিহত করার জন্য যার ওপর ইউক্রেন ব্যাপকভাবে নির্ভর করে। এছাড়া এরপর যুক্তরাষ্ট্র এসব পুনরায় স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখবে বলেও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

রুট বা ট্রাম্প কেউই কিয়েভে পাঠানো অস্ত্র সম্পর্কে বিস্তারিত বলেননি। তবে রুট বলেছেন, চুক্তিতে “ক্ষেপণাস্ত্র এবং গোলাবারুদ” অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিবিসি বাংলা

Bangla Photocard Generatorv3.7