Dhaka ১১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বাসসকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করা হবে : কাদের গনি চৌধুরী ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কার আনছে সরকার : মাহদী আমিন

চট্টগ্রামে স্ত্রীকে ১১ টুকরো করা ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • ৩ Time View

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের বায়েজিদে স্ত্রী ফাতেমা আক্তারকে (৩২) হত্যা করে ১১ টুকরো করার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. সুমনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার ফুলবাড়িয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চট্টগ্রাম র‌্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এম. আর. এম মোজাফ্ফর হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ফাতেমা বেগমের বাড়ি কুমিল্লা সদর দক্ষিণে। তার স্বামী অভিযুক্ত সুমন পেশায় গাড়িচালক। সিফাত নামে আট বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় পাহাড়িকা হাউজিং সোসাইটির এক ভবনে স্ত্রীকে হত্যা করে ১১ টুকরো করে সুমন। পরে বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড মশিউর রহমান দুর্গন্ধ ও অস্বাভাবিক শব্দ শুনে বাসায় গেলে সুমন তাকে ঢুকতে বাধা দেয়। সন্দেহ হলে মশিউর জোর করে বাসায় ঢুকে রক্তের দাগ ও বাথরুমে রক্তমাখা কাপড় দেখতে পান। তখন স্থানীয়দের খবর দিতে গেলে সুমন বাসার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনার পর সুমন সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করলেও, তদন্তে পরকীয়ার জেরে হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ মেলে।

র‌্যাব-৭ জানায়, হত্যার আগে সুমন তার একমাত্র সন্তানকে আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেন। পরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ ১১ টুকরো করেন। মাথা ও দুই হাত ফ্রিজে রেখেছিলেন তিনি। বাকি অংশগুলো ফ্ল্যাটের বিভিন্ন জায়গায় ও কমোডে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। পরে সিকিউরিটি গার্ড ও স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বায়েজিদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের বড় ভাই মো. আনোয়ার হোসেন রুবেল বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে সুমন জানায়, ১০ বছর আগে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তাদের বিয়ে হয়। বিদেশ থেকে ফেরার পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিলো। ঘটনার রাতে বাসায় কয়েকজন যুবকের আসাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্ত্রীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন সুমন।-ইত্তেফাক

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ

চট্টগ্রামে স্ত্রীকে ১১ টুকরো করা ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার

Update Time : ১১:৩২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের বায়েজিদে স্ত্রী ফাতেমা আক্তারকে (৩২) হত্যা করে ১১ টুকরো করার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. সুমনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার ফুলবাড়িয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চট্টগ্রাম র‌্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এম. আর. এম মোজাফ্ফর হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ফাতেমা বেগমের বাড়ি কুমিল্লা সদর দক্ষিণে। তার স্বামী অভিযুক্ত সুমন পেশায় গাড়িচালক। সিফাত নামে আট বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় পাহাড়িকা হাউজিং সোসাইটির এক ভবনে স্ত্রীকে হত্যা করে ১১ টুকরো করে সুমন। পরে বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড মশিউর রহমান দুর্গন্ধ ও অস্বাভাবিক শব্দ শুনে বাসায় গেলে সুমন তাকে ঢুকতে বাধা দেয়। সন্দেহ হলে মশিউর জোর করে বাসায় ঢুকে রক্তের দাগ ও বাথরুমে রক্তমাখা কাপড় দেখতে পান। তখন স্থানীয়দের খবর দিতে গেলে সুমন বাসার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনার পর সুমন সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করলেও, তদন্তে পরকীয়ার জেরে হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ মেলে।

র‌্যাব-৭ জানায়, হত্যার আগে সুমন তার একমাত্র সন্তানকে আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেন। পরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ ১১ টুকরো করেন। মাথা ও দুই হাত ফ্রিজে রেখেছিলেন তিনি। বাকি অংশগুলো ফ্ল্যাটের বিভিন্ন জায়গায় ও কমোডে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। পরে সিকিউরিটি গার্ড ও স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বায়েজিদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের বড় ভাই মো. আনোয়ার হোসেন রুবেল বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে সুমন জানায়, ১০ বছর আগে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তাদের বিয়ে হয়। বিদেশ থেকে ফেরার পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিলো। ঘটনার রাতে বাসায় কয়েকজন যুবকের আসাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্ত্রীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন সুমন।-ইত্তেফাক

Bangla Photocard Generatorv3.7