Dhaka ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

যুদ্ধের মধ্যেই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গিলছে ইসরায়েল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪
  • ৪ Time View

অনলাইন ডেস্ক : ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনাগুলোর একটি ফিলিস্তিনের বাত্তির। পুরোনো ঐতিহ্যবাহী জলপাইবাগান আর আঙুরখেতের জন্য পরিচিত এই গ্রাম। এখানে প্রাকৃতিক ঝরনার পানি ব্যবহার করা হয় সেচের কাজে। কয়েক শতাব্দী ধরে এভাবেই জীবন বয়ে চলেছে সেখানে। প্রকৃতির কোলঘেঁষা এই গ্রাম এখন অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনের নতুন ‘ফ্ল্যাশ পয়েন্টে’ পরিণত হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি কেড়ে নিয়ে সেখানে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। কয়েক প্রজন্ম ধরে যে জমি ভোগ করে আসছেন স্থানীয়রা, নতুন ইহুদি বসতির নিরাপত্তার জন্য সেখানে গড়ে উঠেছে ইসরায়েলি ফাঁড়ি। গ্রামের বাসিন্দা ঘাসান ওলিয়ান বলেন, ‘নিজেদের স্বপ্ন গড়তে আমাদের জমি চুরি করছে ওরা।’

ইউনেসকো জানিয়েছে, বাত্তিরকে ঘিরে বসতি স্থাপনকারীদের পরিকল্পনা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। আন্তর্জাতিক আইনে এ ধরনের বসতি স্থাপনকে অবৈধ হিসেবে দেখা হয়। আক্ষেপের সুরে ঘাসান ওলিয়ান বলছিলেন, ওরা কোনো আইনের তোয়াক্কা করে না।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের তোড়জোড় বেড়েছে। ইসরায়েলি চরমপন্থীদের মতে, এসব বসতি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্থাপনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিজেদের ‘লক্ষ্য’ পূরণের জন্য গাজায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চাইছে এই চরমপন্থীরা।

বসতি স্থাপনের বিষয়ে পর্যবেক্ষণকারী ইসরায়েলি সংস্থা ‘পিস নাউ’-এর ইয়োনাতান মিজরাহি বলেন, ‘পশ্চিম তীরের চরমপন্থী ইহুদিরা ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অবসান ঘটানোর বিষয়টিকেও কঠিন করে তুলছে তারা।’

পিউ রিসার্চ সেন্টারের গত জুনের এক সমীক্ষা বলছে, ৪০ শতাংশ ইসরায়েলির বিশ্বাস, এসব বসতি স্থাপন তাদের দেশকে নিরাপদ করেছে। ২০১৩ সালে এ হার ছিল ২৭ শতাংশ।

জুন মাসের ওই জরিপে অংশ নেওয়া ৩৫ শতাংশ আবার মনে করেন, বসতি স্থাপনের কারণে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগের জরিপে এ হার ছিল ৪২ শতাংশ।

পিস নাউ-এর ইয়োনাতান মিজরাহি উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, ‘পশ্চিম তীরের ইহুদি চরমপন্থীরা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অবসান ঘটানোর বিষয়টিকেও আগের চেয়ে কঠিন করে তুলছে। আমি মনে করি, এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ঘৃণা বাড়ছে।’ গত ১০ মাসে এমন ১ হাজার ২৭০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮৫৬।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

যুদ্ধের মধ্যেই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গিলছে ইসরায়েল

Update Time : ০৪:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনাগুলোর একটি ফিলিস্তিনের বাত্তির। পুরোনো ঐতিহ্যবাহী জলপাইবাগান আর আঙুরখেতের জন্য পরিচিত এই গ্রাম। এখানে প্রাকৃতিক ঝরনার পানি ব্যবহার করা হয় সেচের কাজে। কয়েক শতাব্দী ধরে এভাবেই জীবন বয়ে চলেছে সেখানে। প্রকৃতির কোলঘেঁষা এই গ্রাম এখন অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনের নতুন ‘ফ্ল্যাশ পয়েন্টে’ পরিণত হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি কেড়ে নিয়ে সেখানে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। কয়েক প্রজন্ম ধরে যে জমি ভোগ করে আসছেন স্থানীয়রা, নতুন ইহুদি বসতির নিরাপত্তার জন্য সেখানে গড়ে উঠেছে ইসরায়েলি ফাঁড়ি। গ্রামের বাসিন্দা ঘাসান ওলিয়ান বলেন, ‘নিজেদের স্বপ্ন গড়তে আমাদের জমি চুরি করছে ওরা।’

ইউনেসকো জানিয়েছে, বাত্তিরকে ঘিরে বসতি স্থাপনকারীদের পরিকল্পনা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। আন্তর্জাতিক আইনে এ ধরনের বসতি স্থাপনকে অবৈধ হিসেবে দেখা হয়। আক্ষেপের সুরে ঘাসান ওলিয়ান বলছিলেন, ওরা কোনো আইনের তোয়াক্কা করে না।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন ইহুদি বসতি স্থাপনের তোড়জোড় বেড়েছে। ইসরায়েলি চরমপন্থীদের মতে, এসব বসতি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্থাপনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিজেদের ‘লক্ষ্য’ পূরণের জন্য গাজায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চাইছে এই চরমপন্থীরা।

বসতি স্থাপনের বিষয়ে পর্যবেক্ষণকারী ইসরায়েলি সংস্থা ‘পিস নাউ’-এর ইয়োনাতান মিজরাহি বলেন, ‘পশ্চিম তীরের চরমপন্থী ইহুদিরা ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অবসান ঘটানোর বিষয়টিকেও কঠিন করে তুলছে তারা।’

পিউ রিসার্চ সেন্টারের গত জুনের এক সমীক্ষা বলছে, ৪০ শতাংশ ইসরায়েলির বিশ্বাস, এসব বসতি স্থাপন তাদের দেশকে নিরাপদ করেছে। ২০১৩ সালে এ হার ছিল ২৭ শতাংশ।

জুন মাসের ওই জরিপে অংশ নেওয়া ৩৫ শতাংশ আবার মনে করেন, বসতি স্থাপনের কারণে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগের জরিপে এ হার ছিল ৪২ শতাংশ।

পিস নাউ-এর ইয়োনাতান মিজরাহি উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, ‘পশ্চিম তীরের ইহুদি চরমপন্থীরা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অবসান ঘটানোর বিষয়টিকেও আগের চেয়ে কঠিন করে তুলছে। আমি মনে করি, এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ঘৃণা বাড়ছে।’ গত ১০ মাসে এমন ১ হাজার ২৭০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮৫৬।

Bangla Photocard Generatorv3.7