Dhaka ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বাসসকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করা হবে : কাদের গনি চৌধুরী ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কার আনছে সরকার : মাহদী আমিন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : বিদ্যমান  আইন বাস্তবায়নে সারাদেশে বিশেষ অভিযান

গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ৪ Time View

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: বাসস

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা, ১৪ জুন, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এবং ১৬ জুনের সংবাদপত্র বাতিলের কালো আইনের মধ্য দিয়ে দেশের গণমাধ্যম যে অন্ধকার গলিতে ঢুকে পড়েছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে সেখান থেকে গণমাধ্যমকে আবার মুক্ত আকাশে বের করা সম্ভব হতো কিনা-ইতিহাসে সেই প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে যুগ যুগ ধরে শহীদ জিয়াউর রহমানকে সসম্মানে স্মরণ করতে হবে, কারণ তিনি স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেছেন।’

আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত দুইটার সময় কারো নির্দেশ বা প্ররোচনা ছাড়াই ৩৬ বছর বয়সের একজন বাঙালি মেজর একটি প্রতিষ্ঠিত সামরিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কেবল নিজের সততা, মূল্যবোধ, চেতনা ও দেশপ্রেমের ওপর ভর করে তিনি ক্যান্টনমেন্ট ও দেশবাসীর সামনে সংকটকালীন সময়ের সমাধানের পুরুষ হিসেবে হাজির হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, যারা ইতিহাস সম্পর্কে অবগত তারা জানেন, ২৫ মার্চের সেই রাতে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে জাতি দিকনির্দেশনাহীন থাকতো। একইভাবে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা যদি তাঁকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে নিয়ে না আসতো, তবে দেশে শান্তির ছায়া নেমে আসতো না।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মনোজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করেছে তিনি একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ওপর হওয়া অসম্মানজনক আচরণকে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রনায়কের মতো হজম করেছেন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভর করে দেশের সকল ভিন্ন মতের জন্য সমালোচনা করার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া বঞ্চিত রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতির মাঠে এনে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্কের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি চতুর্থ সংশোধনীর সমস্ত বেড়াজাল ভেঙে দিয়ে কবর দেওয়া পার্লামেন্টকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। ভিন্ন মতকে সম্মান করা এবং বহুমাত্রিক চিন্তার মধ্য দিয়ে উন্নয়নের গতি নির্ধারণ করাই ছিল তাঁর রাষ্ট্রনায়কোচিত বৈশিষ্ট্য।

গণমাধ্যম সম্পর্কে শহীদ জিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো নেতাই জননন্দিত রাষ্ট্রনায়ক হতে পারেন না, যদি না তিনি গণমাধ্যমের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা করেন। শহীদ জিয়া শুধু গণমাধ্যমকে অবকাঠামোগত বা আর্থিক সুবিধাই দেননি, বরং গণমাধ্যম যাতে রাষ্ট্র ও সমাজের পরিচ্ছন্ন আয়না হিসেবে কাজ করতে পারে-সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর সেই অবদানের কারণেই আজ সমাজ ও রাষ্ট্র জনগণের কাছে সার্বক্ষণিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

সুত্র: বাসস

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী

গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহীদ জিয়াই: তথ্যমন্ত্রী

Update Time : ০৪:৫০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: বাসস

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা, ১৪ জুন, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এবং ১৬ জুনের সংবাদপত্র বাতিলের কালো আইনের মধ্য দিয়ে দেশের গণমাধ্যম যে অন্ধকার গলিতে ঢুকে পড়েছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে সেখান থেকে গণমাধ্যমকে আবার মুক্ত আকাশে বের করা সম্ভব হতো কিনা-ইতিহাসে সেই প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে যুগ যুগ ধরে শহীদ জিয়াউর রহমানকে সসম্মানে স্মরণ করতে হবে, কারণ তিনি স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেছেন।’

আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত দুইটার সময় কারো নির্দেশ বা প্ররোচনা ছাড়াই ৩৬ বছর বয়সের একজন বাঙালি মেজর একটি প্রতিষ্ঠিত সামরিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কেবল নিজের সততা, মূল্যবোধ, চেতনা ও দেশপ্রেমের ওপর ভর করে তিনি ক্যান্টনমেন্ট ও দেশবাসীর সামনে সংকটকালীন সময়ের সমাধানের পুরুষ হিসেবে হাজির হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, যারা ইতিহাস সম্পর্কে অবগত তারা জানেন, ২৫ মার্চের সেই রাতে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে জাতি দিকনির্দেশনাহীন থাকতো। একইভাবে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা যদি তাঁকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে নিয়ে না আসতো, তবে দেশে শান্তির ছায়া নেমে আসতো না।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মনোজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করেছে তিনি একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ওপর হওয়া অসম্মানজনক আচরণকে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রনায়কের মতো হজম করেছেন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভর করে দেশের সকল ভিন্ন মতের জন্য সমালোচনা করার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া বঞ্চিত রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতির মাঠে এনে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্কের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি চতুর্থ সংশোধনীর সমস্ত বেড়াজাল ভেঙে দিয়ে কবর দেওয়া পার্লামেন্টকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। ভিন্ন মতকে সম্মান করা এবং বহুমাত্রিক চিন্তার মধ্য দিয়ে উন্নয়নের গতি নির্ধারণ করাই ছিল তাঁর রাষ্ট্রনায়কোচিত বৈশিষ্ট্য।

গণমাধ্যম সম্পর্কে শহীদ জিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো নেতাই জননন্দিত রাষ্ট্রনায়ক হতে পারেন না, যদি না তিনি গণমাধ্যমের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা করেন। শহীদ জিয়া শুধু গণমাধ্যমকে অবকাঠামোগত বা আর্থিক সুবিধাই দেননি, বরং গণমাধ্যম যাতে রাষ্ট্র ও সমাজের পরিচ্ছন্ন আয়না হিসেবে কাজ করতে পারে-সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর সেই অবদানের কারণেই আজ সমাজ ও রাষ্ট্র জনগণের কাছে সার্বক্ষণিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

সুত্র: বাসস

Bangla Photocard Generatorv3.7