Dhaka ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে ছাড়, খরচ নিয়ন্ত্রণে বাড়ছে সুবিধা ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী

হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ৮ Time View

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে ব্যবসায়ী ও কৃষিজীবীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের ঢুলটি গ্রামে মিজানুর রহমান ও তাঁর ভাই রুবেল হোসেনের যৌথ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মুলাডুলি ইউনিয়ন বিট পুলিশিংয়ের এসআই সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই বাড়িতে মিজানুর রহমান ও তাঁর ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বসবাস করেন। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই, কিন্তু কাউকে পাইনি।’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাইভেট কারের তেলের প্রয়োজনে শুক্রবার ভোরে মিজানুর রহমান প্রাইভেট কার নিয়ে বের হন। এর পরপরই ডাকাতেরা ওই বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে। এ সময় নারী-পুরুষসহ বেশ কয়েকজনের হাত-পা বেঁধে আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ দামি জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।

মিজানুর রহমানের ছোট ভাই রুবেল হোসেন জানান, বড় ভাই ভোর ৪টার খানিকটা আগে ফিলিং স্টেশন থেকে প্রাইভেট কারের জন্য তেল আনতে বাড়ির বাইরে যাওয়ায় পরপরই ডাকাত দল বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এ সময় ডাকাত দলের কাছে থাকা পিস্তল ও রামদা উঁচিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে সবার হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে। পরে তারা ঘরের আলমারি থেকে নগদ আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং ৬টি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। ডাকাত দলের সদস্যরা বাড়ির ভেতরে চার-পাঁচজন ছিল। চলে যাওয়ার পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা চাওয়া হয়।

এদিকে আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই ঈশ্বরদীর আশপাশের এলাকাতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার এবং গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। ডাকাতির সময় ওই বাড়িতে ২০ জন মানুষ ছিলেন। এর মধ্যে নারী-শিশু ১৫ জন, বাকি সবাই পুরুষ ছিলেন। ডাকাত দলের চার সদস্য বাড়ির ভেতরে ঢুকেছিল। আমরা সব বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। আশা করছি শিগগিরই ডাকাতদের ধরা সম্ভব হবে।’

Bangla Photocard Generatorv3.7

পুলিশের জন্যে ৫,৮৩০টি যানবাহন ক্রয়ে ৬,৬০৮ কোটি টাকার প্রস্তাব একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায়

হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

Update Time : ০৭:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে ব্যবসায়ী ও কৃষিজীবীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের ঢুলটি গ্রামে মিজানুর রহমান ও তাঁর ভাই রুবেল হোসেনের যৌথ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মুলাডুলি ইউনিয়ন বিট পুলিশিংয়ের এসআই সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওই বাড়িতে মিজানুর রহমান ও তাঁর ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বসবাস করেন। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাই, কিন্তু কাউকে পাইনি।’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাইভেট কারের তেলের প্রয়োজনে শুক্রবার ভোরে মিজানুর রহমান প্রাইভেট কার নিয়ে বের হন। এর পরপরই ডাকাতেরা ওই বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে। এ সময় নারী-পুরুষসহ বেশ কয়েকজনের হাত-পা বেঁধে আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ দামি জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।

মিজানুর রহমানের ছোট ভাই রুবেল হোসেন জানান, বড় ভাই ভোর ৪টার খানিকটা আগে ফিলিং স্টেশন থেকে প্রাইভেট কারের জন্য তেল আনতে বাড়ির বাইরে যাওয়ায় পরপরই ডাকাত দল বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এ সময় ডাকাত দলের কাছে থাকা পিস্তল ও রামদা উঁচিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে সবার হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে। পরে তারা ঘরের আলমারি থেকে নগদ আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং ৬টি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। ডাকাত দলের সদস্যরা বাড়ির ভেতরে চার-পাঁচজন ছিল। চলে যাওয়ার পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা চাওয়া হয়।

এদিকে আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই ঈশ্বরদীর আশপাশের এলাকাতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার এবং গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। ডাকাতির সময় ওই বাড়িতে ২০ জন মানুষ ছিলেন। এর মধ্যে নারী-শিশু ১৫ জন, বাকি সবাই পুরুষ ছিলেন। ডাকাত দলের চার সদস্য বাড়ির ভেতরে ঢুকেছিল। আমরা সব বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। আশা করছি শিগগিরই ডাকাতদের ধরা সম্ভব হবে।’

Bangla Photocard Generatorv3.7