বাঘা প্রতিনিধি : বাঘায় বিএনপির নামধারী সন্ত্রাসী কর্তৃক নিরীহ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপরে হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী সংবাদ সম্মেলন করেন। সোমবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ইসলামী ফাউন্ডেশনের সাবেক কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ইউনুস আলী বলেন, বাউসা ইউনিয়ন পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ জনগণ ও বিভিন্ন সেবা গ্রহীতারা ইউনিয়ন পরিষদের কর্তা ব্যক্তিদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের অন্যায় দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার হয়ে আসছিলেন।
এর প্রতিবাদে ২০ মার্চ জামায়াতে ইসলাম মানববন্ধন করেন। শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা করে। এতে ৯ জন আহত হয়।
এতে জামায়াতের বাউসা ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মো. মুজিবুর রহমান থানায় একটি অভিযোগ করেন। ২৩ মার্চ মীমাংসা হয়। এর জের ধরে ৩০ মার্চ বাউসা ইউনিয়নের ১ নাম্বর দীঘা ওয়ার্ড ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি সৌরভ আহম্মেদের উপর হামলা করা হয়।
এতে তারা ক্ষান্ত না হয়ে শিবির কর্মী মারুফ হোসেন, মুন্না আলী ও ফয়সাল হোসেনকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে যখম করা হয়। এছাড়া বাউসা বাজারে জামায়াত সমর্থিত মিজানুর রহমান ও রুহুল আমিনের ওষধের দোকান, মিজানুর রহমানের সার ও কীটনাশকের দোকান, জহুরুল ইসলামের জুতা স্যান্ডের দোকান এবং ইমারত শ্রমিক টুটুল হোসেনের দোকানে হামলা করে ভাংচুর করা হয়। এছাড়া জামায়াত নেতা মজিবর রহমান ও আমির উদ্দিনেরসহ ৫টি মোটরসাইকেল এবং আক্কাছ আলীর ভ্যানে আগুন দিয়ে জালিয়ে দেন বিএনপি সমর্থিতরা।
বাউসা ইউনিয়নের ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও বাউসা পূর্বপাড়া মিজানুর রহমান শিল্পীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে দুই লক্ষ টাকার বাদাম লুটপাট করে। শিবির কর্মী রোহানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে ১০ হাজার টাকা এবং ৩টি সাইকেল লুটপাট করে বিএনপির নামধারী সন্ত্রাসীরা। একই সময়ে শিবিরকর্মী রোহানের পিতার বাউসা বাজারে স-মিলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানান। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা জিন্নাত আলী, সহসভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, জামায়াতের নেতা অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল লতিফ প্রমুখ।
Reporter Name 









