Dhaka ১০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

ড. ইউনূস প্রসঙ্গে: আমি বঙ্গবন্ধুকন্যা, দেশ বেচি না, জেলাসিও করি না

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
  • ২ Time View

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে। যে জায়গায় আর কেউ কখনও আসতে পারবে না। আর সেটাই আমার গর্ব। প্রধানমন্ত্রী তো সামান্য ব্যাপার। আমি দেশ বেচি না, দেশের স্বার্থও বেচি না। শেখ হাসিনা কারও সঙ্গে জেলাসি করে না।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমি সবসময় দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই চলি। যে কারণে আমি ক্ষমতায় মাঝে আসতেও পারিনি। তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না। আমার কাজ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। দেশের মানুষের মাথা যেন উঁচু থাকে। আমার কাজ সেটাই। আমি এর কাছে ওর কাছে ধর্না নিয়ে বেড়াই না।

সোমবার (২৪ জুন) টাইম ম্যাগাজিনে ড. ইউনূস প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে। সেই প্রবন্ধে আপনার নামও এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওনি তো (ড. ইউনূস) সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সরকারের নয়, লেবার কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামিকে নিয়ে সাংবাদিক লেখে কি করে? আইএলও কনভেনশনে আমরা স্বাক্ষর করেছি। শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষা করতে আমরা বাধ্য। আমাদের তো লেবার কোর্টের ব্যাপারে কিছুই করার নাই।

গ্রামীণ ব্যাংক তৈরি করা হয়েছিল এরশাদের আমলে। তিনি তো সেখানে এমডি হিসেবে চাকরি করতেন, বেতন পেতেন। ব্যাংকটি তার নিজের করা না। গ্রামীণ ব্যাংক হচ্ছে সরকারের সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। টাকা ও বেতন সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হতো। বাইরে যেতে হলে সরকারের জিও নিতে হতো। তিনি এমনভাবে প্রচার করেছেন যেন এটা তার নিজেরই করা। ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত একজন এমডি থাকতে পারবে। অথচ তিনি নিয়ম ভঙ্গ করেই এমডি পদে ছিলেন। অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেব অনুরোধ করলেন আপনার তো বয়স হয়েছে এমডি না উপদেষ্টা হিসেবে থাকেন। তিনি সেটা মানেননি। তিনিই কিন্তু মামলা করেছেন দুটি। দুটিতেই তিনি (ড. ইউনূস) হেরে যান। তার বিরুদ্ধে কিন্তু সরকার কোনও মামলা করেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রামীণ ফোনের ব্যবসাটাও আমিই তাকে দিয়েছিলাম। এটা মনে রাখা উচিত। ব্যবসার টাকাটাও আমি দিয়েছিলাম। আমার সরকার ও আমি নিজে তখন তাকে প্রথমে ১০০ কোটি এরপর ২০০ কোটি পরে আবার ১০০ কোটি টাকার সহায়তা করি। ফোনের ব্যবসার মুনাফায় গ্রামীণ ব্যাংক চলবে। জিজ্ঞাসা করেন তার কোনও টাকা গ্রামীণ ব্যাংকে গেছে কি না? যায়নি। বরং নতুন নতুন ব্যবসা খুলে ব্যবসা করেছেন। কিন্তু কোনও ট্যাক্স দেননি। তার বিরুদ্ধে যখন মামলা হয়েছে। তখনই তিনি কিছু ট্যাক্স পরিশোধ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বিরুদ্ধে লেবাররা লেবার কোর্টে মামলা করেছেন। আমি বা আমরা করিনি। এখানে আমার কি দোষ। তার উঠার পেছনে তো আমারই সহায়তা ছিল। তার দারিদ্র বিমোচনের বিষয়ে কথা বলেছি। তখন তিনি কিন্তু পরিচিত ছিলেন না। ভাবছিলাম তিনি ভালো মানুষ। পরে দেখি, তিনি দারিদ্রমুক্ত না দারিদ্র লালন পালন করেন। কারণ উচ্চহারে সুদ দিতে হয়। প্রথম সুদ যখন কেউ দিতে পারে নাম তখন আরেক ঋণে সেই সুদ পরিশোধ করতে হতো। সেটার আবার উচ্চ সুদ হার দাঁড়াতো। এভাবে ৪০/৪৫ ভাগ সুদ দিতে হতো।

হিলারী ক্লিনটনকে নিয়ে সেসব পরিবারকে ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হয়েছিল তাদের অনেকে সুদের চাপে আত্মহত্যা করেছেন। খোঁজ নেন। জমিজমা বেচে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। এই সুদের চাপে। আমি বলেছিলাম এতো সুদ কেন? সহনশীল করা উচিত।

তিনি এতোই যদি করলেন তাহলে দারিদ্র বিমোচন হলো না কেন? দারিদ্র্য বিমোচন কত করলাম আমি। আজকে ৪৮.৬ ভাগ থেকে নামিয়ে দারিদ্রের হার ১৮.৭ ভাগে নামিয়ে এনেছি আমি। সে ক্রেডিটও তারা দেয়নি। অথচ কোনো কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা লেখে ফেলে গ্রামীণ ব্যাংক করেছে। আমি কখনো তদবির করতে যাইনি।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ড. ইউনূস প্রসঙ্গে: আমি বঙ্গবন্ধুকন্যা, দেশ বেচি না, জেলাসিও করি না

Update Time : ০৭:৪৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে। যে জায়গায় আর কেউ কখনও আসতে পারবে না। আর সেটাই আমার গর্ব। প্রধানমন্ত্রী তো সামান্য ব্যাপার। আমি দেশ বেচি না, দেশের স্বার্থও বেচি না। শেখ হাসিনা কারও সঙ্গে জেলাসি করে না।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমি সবসময় দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই চলি। যে কারণে আমি ক্ষমতায় মাঝে আসতেও পারিনি। তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না। আমার কাজ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। দেশের মানুষের মাথা যেন উঁচু থাকে। আমার কাজ সেটাই। আমি এর কাছে ওর কাছে ধর্না নিয়ে বেড়াই না।

সোমবার (২৪ জুন) টাইম ম্যাগাজিনে ড. ইউনূস প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে। সেই প্রবন্ধে আপনার নামও এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওনি তো (ড. ইউনূস) সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সরকারের নয়, লেবার কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামিকে নিয়ে সাংবাদিক লেখে কি করে? আইএলও কনভেনশনে আমরা স্বাক্ষর করেছি। শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষা করতে আমরা বাধ্য। আমাদের তো লেবার কোর্টের ব্যাপারে কিছুই করার নাই।

গ্রামীণ ব্যাংক তৈরি করা হয়েছিল এরশাদের আমলে। তিনি তো সেখানে এমডি হিসেবে চাকরি করতেন, বেতন পেতেন। ব্যাংকটি তার নিজের করা না। গ্রামীণ ব্যাংক হচ্ছে সরকারের সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। টাকা ও বেতন সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হতো। বাইরে যেতে হলে সরকারের জিও নিতে হতো। তিনি এমনভাবে প্রচার করেছেন যেন এটা তার নিজেরই করা। ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত একজন এমডি থাকতে পারবে। অথচ তিনি নিয়ম ভঙ্গ করেই এমডি পদে ছিলেন। অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেব অনুরোধ করলেন আপনার তো বয়স হয়েছে এমডি না উপদেষ্টা হিসেবে থাকেন। তিনি সেটা মানেননি। তিনিই কিন্তু মামলা করেছেন দুটি। দুটিতেই তিনি (ড. ইউনূস) হেরে যান। তার বিরুদ্ধে কিন্তু সরকার কোনও মামলা করেনি।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রামীণ ফোনের ব্যবসাটাও আমিই তাকে দিয়েছিলাম। এটা মনে রাখা উচিত। ব্যবসার টাকাটাও আমি দিয়েছিলাম। আমার সরকার ও আমি নিজে তখন তাকে প্রথমে ১০০ কোটি এরপর ২০০ কোটি পরে আবার ১০০ কোটি টাকার সহায়তা করি। ফোনের ব্যবসার মুনাফায় গ্রামীণ ব্যাংক চলবে। জিজ্ঞাসা করেন তার কোনও টাকা গ্রামীণ ব্যাংকে গেছে কি না? যায়নি। বরং নতুন নতুন ব্যবসা খুলে ব্যবসা করেছেন। কিন্তু কোনও ট্যাক্স দেননি। তার বিরুদ্ধে যখন মামলা হয়েছে। তখনই তিনি কিছু ট্যাক্স পরিশোধ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বিরুদ্ধে লেবাররা লেবার কোর্টে মামলা করেছেন। আমি বা আমরা করিনি। এখানে আমার কি দোষ। তার উঠার পেছনে তো আমারই সহায়তা ছিল। তার দারিদ্র বিমোচনের বিষয়ে কথা বলেছি। তখন তিনি কিন্তু পরিচিত ছিলেন না। ভাবছিলাম তিনি ভালো মানুষ। পরে দেখি, তিনি দারিদ্রমুক্ত না দারিদ্র লালন পালন করেন। কারণ উচ্চহারে সুদ দিতে হয়। প্রথম সুদ যখন কেউ দিতে পারে নাম তখন আরেক ঋণে সেই সুদ পরিশোধ করতে হতো। সেটার আবার উচ্চ সুদ হার দাঁড়াতো। এভাবে ৪০/৪৫ ভাগ সুদ দিতে হতো।

হিলারী ক্লিনটনকে নিয়ে সেসব পরিবারকে ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হয়েছিল তাদের অনেকে সুদের চাপে আত্মহত্যা করেছেন। খোঁজ নেন। জমিজমা বেচে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। এই সুদের চাপে। আমি বলেছিলাম এতো সুদ কেন? সহনশীল করা উচিত।

তিনি এতোই যদি করলেন তাহলে দারিদ্র বিমোচন হলো না কেন? দারিদ্র্য বিমোচন কত করলাম আমি। আজকে ৪৮.৬ ভাগ থেকে নামিয়ে দারিদ্রের হার ১৮.৭ ভাগে নামিয়ে এনেছি আমি। সে ক্রেডিটও তারা দেয়নি। অথচ কোনো কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা লেখে ফেলে গ্রামীণ ব্যাংক করেছে। আমি কখনো তদবির করতে যাইনি।

Bangla Photocard Generatorv3.7