Dhaka ১০:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

নগরীতে গাছ কাটার প্রতিবাদে নাগরিক শোকসভা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪
  • ২ Time View

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে গাছ কাটার প্রতিবাদে প্রতীকী নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় নগরীর রাজারহাতা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের জন্য নির্ধারিত স্থানে ‘নাগরিক সমাজ’ এ আয়োজন করে। সেখানে কালো রঙের একটি কাপড়ের সামনে দাঁড়ান পরিবেশবাদীরা। তাঁদের হাতে গাছ না কাটার আহ্বান জানিয়ে লেখা ছোট ছোট পোস্টার ছিল।

এতে লেখা ছিল, ‘বৃক্ষ আমার জীবন রক্ষা করে’, ‘বৃক্ষ হত্যার বিচার চাই’, ‘নাগরিকের মতামত ছাড়া এই উন্নয়ন বন্ধ কর’, ‘রাজশাহীর উন্নয়নে বৃক্ষ হত্যা বন্ধ কর’ ইত্যাদি। জেলা পরিষদের মালিকানাধীন এই জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পাঁচটি গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। গতকাল বৃহস্পতিবার ঠিকাদারের লোকজন তিনটি গাছ কেটেও ফেলেন। আরও দুটি কেটে ফেলার প্রস্তুতি চলছিল।

এ সময় খবর পেয়ে পরিবেশবাদীরা গাছ কাটা বন্ধ করে দেন। আর তিনটি গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে এই নাগরিক শোকসভার আয়োজন করে। বক্তারা বলেন, গাছ কাটার প্রক্রিয়ার কথা জানতে পেরে গত ২৬ মে তাঁরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেদিন তাঁরা গাছ না কেটেই নকশা বদলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি জানিয়েছিলেন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তাঁদের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সে কথা রাখা হয়নি। ওই আলোচনার পর জেলা পরিষদ পাঁচটি গাছ বিক্রি করেছে।

তারা আরও বলেন, প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্থানে গাছ কেটে ফেলার কারণে সবুজ রাজশাহী আর সবুজ নেই। তাপমাত্রা চরমভাবে বেড়ে গেছে। তাই শোকসভা থেকে বক্তারা ঘোষণা দেন, রাজশাহীতে আর কোথাও একটি গাছও কাটতে দেওয়া হবে না। নাগরিক সমাজের মতামত ছাড়া যেখানেই সরকারি গাছ কাটা হবে, সেখানেই তারা রুখে দাঁড়াবেন। রাজশাহীর পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় গাছ হত্যার বিরুদ্ধে তারা বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন—বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী, পরিবেশ আন্দোলন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মাহবুব টুংকু, সদস্যসচিব নাজমুল হোসেন রাজু, গবেষক শহিদুল ইসলাম, আদিবাসী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, ভঙ্গী নৃত্য শিল্পালয়ের সাধারণ সম্পাদক রবিন শেখ প্রমুখ। ইয়ুথ অ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ-ইয়্যাসের সভাপতি শামীউল আলীম শাওন শোকসভা পরিচালনা করেন।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নগরীতে গাছ কাটার প্রতিবাদে নাগরিক শোকসভা

Update Time : ০৮:২৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে গাছ কাটার প্রতিবাদে প্রতীকী নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় নগরীর রাজারহাতা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের জন্য নির্ধারিত স্থানে ‘নাগরিক সমাজ’ এ আয়োজন করে। সেখানে কালো রঙের একটি কাপড়ের সামনে দাঁড়ান পরিবেশবাদীরা। তাঁদের হাতে গাছ না কাটার আহ্বান জানিয়ে লেখা ছোট ছোট পোস্টার ছিল।

এতে লেখা ছিল, ‘বৃক্ষ আমার জীবন রক্ষা করে’, ‘বৃক্ষ হত্যার বিচার চাই’, ‘নাগরিকের মতামত ছাড়া এই উন্নয়ন বন্ধ কর’, ‘রাজশাহীর উন্নয়নে বৃক্ষ হত্যা বন্ধ কর’ ইত্যাদি। জেলা পরিষদের মালিকানাধীন এই জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পাঁচটি গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। গতকাল বৃহস্পতিবার ঠিকাদারের লোকজন তিনটি গাছ কেটেও ফেলেন। আরও দুটি কেটে ফেলার প্রস্তুতি চলছিল।

এ সময় খবর পেয়ে পরিবেশবাদীরা গাছ কাটা বন্ধ করে দেন। আর তিনটি গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে এই নাগরিক শোকসভার আয়োজন করে। বক্তারা বলেন, গাছ কাটার প্রক্রিয়ার কথা জানতে পেরে গত ২৬ মে তাঁরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেদিন তাঁরা গাছ না কেটেই নকশা বদলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি জানিয়েছিলেন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তাঁদের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সে কথা রাখা হয়নি। ওই আলোচনার পর জেলা পরিষদ পাঁচটি গাছ বিক্রি করেছে।

তারা আরও বলেন, প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্থানে গাছ কেটে ফেলার কারণে সবুজ রাজশাহী আর সবুজ নেই। তাপমাত্রা চরমভাবে বেড়ে গেছে। তাই শোকসভা থেকে বক্তারা ঘোষণা দেন, রাজশাহীতে আর কোথাও একটি গাছও কাটতে দেওয়া হবে না। নাগরিক সমাজের মতামত ছাড়া যেখানেই সরকারি গাছ কাটা হবে, সেখানেই তারা রুখে দাঁড়াবেন। রাজশাহীর পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় গাছ হত্যার বিরুদ্ধে তারা বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন—বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী, পরিবেশ আন্দোলন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মাহবুব টুংকু, সদস্যসচিব নাজমুল হোসেন রাজু, গবেষক শহিদুল ইসলাম, আদিবাসী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, ভঙ্গী নৃত্য শিল্পালয়ের সাধারণ সম্পাদক রবিন শেখ প্রমুখ। ইয়ুথ অ্যাকশন ফর সোস্যাল চেঞ্জ-ইয়্যাসের সভাপতি শামীউল আলীম শাওন শোকসভা পরিচালনা করেন।

Bangla Photocard Generatorv3.7