Dhaka ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

তানোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার কান্ড! স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন কমলমতি শিক্ষার্থীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
  • ৫ Time View

সাইদ সাজু, তানোর : রাজশাহীর তানোরে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোসাব্বির হোসেন আলিফ কে ন্যাংটা করে জুতার মালা গলায় পড়িয়ে ঘুরাতে চেয়েছেন তানিয়া নামের সহকারী শিক্ষিকা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীর মা রুমি খাতুন বাদি হয়ে শিক্ষিকা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহীর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

গত ২৯ মে উপজেলার কলমা ইউনিয়ন (ইউপির) নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে এমন ঘটনাটি। এঘটনার পর থেকে লজ্জায় স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ওই ছাত্র। ফলে শিক্ষিকার এমন কান্ডে হতবাক অভিভাবক মহল। সেই সাথে বিরাজ করছে চরম ক্ষোভ। শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীসহ অভিভাবক মহল।

অভিযোগে উল্লেখ, গত মাসের ২৯ তারিখ বুধবার সকালের দিকে উপজেলার কলমা ইউনিয়ন (ইউপির) নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলা অবস্থায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র মোসাব্বির হোসেন আলিফ কে সহকারী শিক্ষিকা তানিয়া খাতুন বলে তোকে ন্যাংটা করে জুতার মালা গলায় পরিয়ে বদনা কানের দুল বানিয়ে পুরো গ্রাম ঘুরানো হবে। একথা শোনার পর শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা উসকানি দিতেই থাকে। আলিফ বাধ্য হয়ে কান্না করতে করতে বাড়িতে গিয়ে তার মাসহ পরিবারকে এসব কথা বলে।

পরদিন বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীর মাসহ পরিবারের লোকজন স্কুলে এলে প্রধান শিক্ষক ঘটনাটি নিয়ে অনুতপ্ত হয়ে মিমাংসা করে দেন। কিন্তু সহকারী শিক্ষিকার স্বামী মাদারিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তোহিদুর রহমান মুকুল ওই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছাত্রসহ তার মাকে অকাথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন।
ছাত্রের মা রুমি খাতুব বলেন, ছাত্ররা ছোট আর শিক্ষিকা মায়ের মত। তারাই যদি শিক্ষার্থীকে এধরণের কথাবার্তা বলে তাহলে কি শিক্ষা দিবে। ওই শিক্ষিকার কারনে এর আগেও কয়েকজন শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। শিক্ষিকার বাড়িও নড়িয়াল গ্রামে একারনে এমন দাপট দেখায়।

অভিযুক্ত শিক্ষিকা তানিয়া খাতুনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার কথা কি বিশ্বাস করবেন, পরে কথা বলছি বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মিমাংসা করে দিয়েছিলাম, শিক্ষিকাও ভূল স্বীকার করেছিল। কিন্তু তার স্বামী বেশি বাড়াবাড়ি করার কারনে এসব হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তানোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার কান্ড! স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন কমলমতি শিক্ষার্থীরা

Update Time : ০৯:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

সাইদ সাজু, তানোর : রাজশাহীর তানোরে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোসাব্বির হোসেন আলিফ কে ন্যাংটা করে জুতার মালা গলায় পড়িয়ে ঘুরাতে চেয়েছেন তানিয়া নামের সহকারী শিক্ষিকা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীর মা রুমি খাতুন বাদি হয়ে শিক্ষিকা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহীর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

গত ২৯ মে উপজেলার কলমা ইউনিয়ন (ইউপির) নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে এমন ঘটনাটি। এঘটনার পর থেকে লজ্জায় স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ওই ছাত্র। ফলে শিক্ষিকার এমন কান্ডে হতবাক অভিভাবক মহল। সেই সাথে বিরাজ করছে চরম ক্ষোভ। শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীসহ অভিভাবক মহল।

অভিযোগে উল্লেখ, গত মাসের ২৯ তারিখ বুধবার সকালের দিকে উপজেলার কলমা ইউনিয়ন (ইউপির) নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলা অবস্থায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র মোসাব্বির হোসেন আলিফ কে সহকারী শিক্ষিকা তানিয়া খাতুন বলে তোকে ন্যাংটা করে জুতার মালা গলায় পরিয়ে বদনা কানের দুল বানিয়ে পুরো গ্রাম ঘুরানো হবে। একথা শোনার পর শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা উসকানি দিতেই থাকে। আলিফ বাধ্য হয়ে কান্না করতে করতে বাড়িতে গিয়ে তার মাসহ পরিবারকে এসব কথা বলে।

পরদিন বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীর মাসহ পরিবারের লোকজন স্কুলে এলে প্রধান শিক্ষক ঘটনাটি নিয়ে অনুতপ্ত হয়ে মিমাংসা করে দেন। কিন্তু সহকারী শিক্ষিকার স্বামী মাদারিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তোহিদুর রহমান মুকুল ওই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছাত্রসহ তার মাকে অকাথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন।
ছাত্রের মা রুমি খাতুব বলেন, ছাত্ররা ছোট আর শিক্ষিকা মায়ের মত। তারাই যদি শিক্ষার্থীকে এধরণের কথাবার্তা বলে তাহলে কি শিক্ষা দিবে। ওই শিক্ষিকার কারনে এর আগেও কয়েকজন শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। শিক্ষিকার বাড়িও নড়িয়াল গ্রামে একারনে এমন দাপট দেখায়।

অভিযুক্ত শিক্ষিকা তানিয়া খাতুনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার কথা কি বিশ্বাস করবেন, পরে কথা বলছি বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
নড়িয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মিমাংসা করে দিয়েছিলাম, শিক্ষিকাও ভূল স্বীকার করেছিল। কিন্তু তার স্বামী বেশি বাড়াবাড়ি করার কারনে এসব হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7