Dhaka ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

নগরীর বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ভিড়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
  • ৩ Time View

স্টাফ রিপোর্টার : ঈদুল ফিতরের দিন রাজশাহীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। সোমবার (৩১ মার্চ) সকালের দিকে ভিড় কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে নগরের দর্শনীয়স্থানগুলো।

রাজশাহী নগরীর শহীদ জিয়াউর রহমান শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিনোদনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ছোট বড় সব বয়সী মানুষের ভিড় ছিল পদ্মাপাড়ে।

পদ্মাপাড়ে লিমান ও তানভীর এসেছে বাবা মায়ের সঙ্গে। লিমান বলে, ঈদের নামাজ পড়ে বাসায় মিষ্টান্ন খেয়েই তারা পদ্মাপাড়ে ঘুরতে এসেছি।

তাদের বাবা আব্দুর রহমান জানান, নিজেদের ব্যস্ততায় বাচ্চাদের তেমন সময় দেওয়া হওয়ে ওঠে না। তাই তাদের নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছি।

নগরী টিকাপাড়া থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন লাবনী ইসলাম। তিনি বলেন, এবারের ঈদটা একটু অন্যরকম। চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকি। কিন্তু এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারছি। দুপুরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বের হয়েছি। বাচ্চারা অনেক মজা করছে। ঈদের আনন্দটা উপভোগ করছি সবাই মিলে।

তবে ঈদকে কেন্দ্র করে রাজশাহী নগরীতে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা যাত্রীদের থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছেন ঈদ সেলামির নামে। এতে করে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন যাত্রীরা।

রিকশা চালক সফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদ বিশেষ দিন। এই দিন ১০-২০ টাকা বেশি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে তাই যাত্রীরা রেগে যাচ্ছে। আচ্ছা বলেন তো, বছরে তো একটাই দিন। আমরা একটু সেলামি চাচ্ছি। অন্যদিন তো আর চাইবো না।

এনামুল হক বলেন, এবার ঈদে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয়নি। রাজশাহী জেলাতে গ্রামের বাড়ি। ঈদের পরের দিন যাব। ঈদের দিন বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে সময় কাটাতে এসেছি। তবে রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা বেশি ভাড়া চাচ্ছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নগরীর বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ভিড়

Update Time : ০৫:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার : ঈদুল ফিতরের দিন রাজশাহীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। সোমবার (৩১ মার্চ) সকালের দিকে ভিড় কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে নগরের দর্শনীয়স্থানগুলো।

রাজশাহী নগরীর শহীদ জিয়াউর রহমান শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিনোদনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ছোট বড় সব বয়সী মানুষের ভিড় ছিল পদ্মাপাড়ে।

পদ্মাপাড়ে লিমান ও তানভীর এসেছে বাবা মায়ের সঙ্গে। লিমান বলে, ঈদের নামাজ পড়ে বাসায় মিষ্টান্ন খেয়েই তারা পদ্মাপাড়ে ঘুরতে এসেছি।

তাদের বাবা আব্দুর রহমান জানান, নিজেদের ব্যস্ততায় বাচ্চাদের তেমন সময় দেওয়া হওয়ে ওঠে না। তাই তাদের নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছি।

নগরী টিকাপাড়া থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন লাবনী ইসলাম। তিনি বলেন, এবারের ঈদটা একটু অন্যরকম। চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকি। কিন্তু এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারছি। দুপুরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বের হয়েছি। বাচ্চারা অনেক মজা করছে। ঈদের আনন্দটা উপভোগ করছি সবাই মিলে।

তবে ঈদকে কেন্দ্র করে রাজশাহী নগরীতে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা যাত্রীদের থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছেন ঈদ সেলামির নামে। এতে করে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন যাত্রীরা।

রিকশা চালক সফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদ বিশেষ দিন। এই দিন ১০-২০ টাকা বেশি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে তাই যাত্রীরা রেগে যাচ্ছে। আচ্ছা বলেন তো, বছরে তো একটাই দিন। আমরা একটু সেলামি চাচ্ছি। অন্যদিন তো আর চাইবো না।

এনামুল হক বলেন, এবার ঈদে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয়নি। রাজশাহী জেলাতে গ্রামের বাড়ি। ঈদের পরের দিন যাব। ঈদের দিন বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে সময় কাটাতে এসেছি। তবে রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা বেশি ভাড়া চাচ্ছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7