Dhaka ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

‘এক হাজার বছরেও ভারতের ফুটবলে উন্নতি হবে না’

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫
  • ৩ Time View

অনলাইন ডেস্ক : সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান হওয়ার দৌড়ে ছিলেন ভাইচুং ভুটিয়া। কিন্তু কল্যাণ চৌবের বিপক্ষে ভোটে হেরে সেই সুযোগ পাননি। তবে কার্যকরী কমিটির সদস্য হয়েছেন তিনি। ফেডারেশনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট ভাইচুং।

এমন চলতে থাকলে আগামী এক হাজার বছরেও ভারতের ফুটবলের কোনো উন্নতি দেখছেন না দেশটির সাবেক অধিনায়ক। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাইচুং বলেন, ‘ভিসিয়ন ২০৪৭ খাতায়-কলমে আছে। কল্যাণ চৌবে এটা খাতায় কলমেই রেখেছে। এমন চলতে থাকলে ২০৪৭ নয়, ৩০৪৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শুধু কথা বললে হবে না, কাজেও করে দেখাতে হবে।’

ভারতের ফুটবলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে চিন্তিত ভাইচুং। তিনি বলেন, ‘আমি মর্মাহত। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটিতে আছি। কিন্তু এখানে লোক জনদের পরিকল্পনা শুনলে সত্যি খুব ভয় করে। আমাদের এমন লোক জন প্রয়োজন যারা কাজের প্রতি দায়বদ্ধ। দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এমন লোক প্রয়োজন।’

‘তৃণমূল স্তরে কাজ করতে হবে আমাদের। আমি জানি এখন কেমন কাজ হয়। চাপ তৈরি হলে রাজ্যগুলো তৃণমূল স্তরে কাজ করে। অনূর্ধ্ব-১৩, অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলারদের নিয়ে কাজ হয়। কিন্তু সেটা ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য মাত্র।’

ঘরোয়া পর্যায়ে আরো উন্নতি করতে হবে বলে মনে করেন ভাইচুং। তিনি বলেন, ‘মুখে বলা হয় আমার রাজ্য থেকে ২৫০০ জন ফুটবলারকে নিয়ে কাজ হয়েছে, ১০০০ জন ফুটবলারকে নিয়ে কাজ হয়েছে। কিন্তু সেটা খুব বেশি হলে ২০-২৫ দিনের জন্য। সারা বছর এই বাচ্চাগুলো কী করে? কোথায় যায় তারা? কিছু করে না। ১১ মাস কিছুই করে না। কিন্তু এই ২৫০০ বা ১০০০ ফুটবলার নিয়ে কাজ করার জন্য একে অপরের পিঠ চাপড়ানো হয়। এই ভাবে বাচ্চাদের উন্নতি সম্ভব? এটা তৃণমূল স্তরের ফুটবল?’

ভারতীয় ফুটবলারদের বিদেশি ক্লাবে খেলার পরামর্শ দিচ্ছেন ভাইচুং। তিনি নিজে একসময় বিদেশে ফুটবল খেলেছেন। ভাইচুং বলেন, ‘ভারতের বাইরে গিয়ে খেলতে হবে। এখানে খেলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে ফুটবলাররা। অন্য দেশের তুলনায় ভালো টাকাও পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশের ফুটবলারদের বিদেশে যেতে হবে। টাকার কথা ভাবলে চলবে না। সেখানে গিয়ে শিখতে হবে। এমন দেশে যেতে হবে, যারা ভারতের চেয়ে এগিয়ে। সেখানে গিয়ে শিখে ফিরে এসো। তরুণদের বিশেষ করে এই চেষ্টা করতে হবে।’

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

‘এক হাজার বছরেও ভারতের ফুটবলে উন্নতি হবে না’

Update Time : ০৪:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক : সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান হওয়ার দৌড়ে ছিলেন ভাইচুং ভুটিয়া। কিন্তু কল্যাণ চৌবের বিপক্ষে ভোটে হেরে সেই সুযোগ পাননি। তবে কার্যকরী কমিটির সদস্য হয়েছেন তিনি। ফেডারেশনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট ভাইচুং।

এমন চলতে থাকলে আগামী এক হাজার বছরেও ভারতের ফুটবলের কোনো উন্নতি দেখছেন না দেশটির সাবেক অধিনায়ক। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাইচুং বলেন, ‘ভিসিয়ন ২০৪৭ খাতায়-কলমে আছে। কল্যাণ চৌবে এটা খাতায় কলমেই রেখেছে। এমন চলতে থাকলে ২০৪৭ নয়, ৩০৪৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শুধু কথা বললে হবে না, কাজেও করে দেখাতে হবে।’

ভারতের ফুটবলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে চিন্তিত ভাইচুং। তিনি বলেন, ‘আমি মর্মাহত। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটিতে আছি। কিন্তু এখানে লোক জনদের পরিকল্পনা শুনলে সত্যি খুব ভয় করে। আমাদের এমন লোক জন প্রয়োজন যারা কাজের প্রতি দায়বদ্ধ। দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এমন লোক প্রয়োজন।’

‘তৃণমূল স্তরে কাজ করতে হবে আমাদের। আমি জানি এখন কেমন কাজ হয়। চাপ তৈরি হলে রাজ্যগুলো তৃণমূল স্তরে কাজ করে। অনূর্ধ্ব-১৩, অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলারদের নিয়ে কাজ হয়। কিন্তু সেটা ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য মাত্র।’

ঘরোয়া পর্যায়ে আরো উন্নতি করতে হবে বলে মনে করেন ভাইচুং। তিনি বলেন, ‘মুখে বলা হয় আমার রাজ্য থেকে ২৫০০ জন ফুটবলারকে নিয়ে কাজ হয়েছে, ১০০০ জন ফুটবলারকে নিয়ে কাজ হয়েছে। কিন্তু সেটা খুব বেশি হলে ২০-২৫ দিনের জন্য। সারা বছর এই বাচ্চাগুলো কী করে? কোথায় যায় তারা? কিছু করে না। ১১ মাস কিছুই করে না। কিন্তু এই ২৫০০ বা ১০০০ ফুটবলার নিয়ে কাজ করার জন্য একে অপরের পিঠ চাপড়ানো হয়। এই ভাবে বাচ্চাদের উন্নতি সম্ভব? এটা তৃণমূল স্তরের ফুটবল?’

ভারতীয় ফুটবলারদের বিদেশি ক্লাবে খেলার পরামর্শ দিচ্ছেন ভাইচুং। তিনি নিজে একসময় বিদেশে ফুটবল খেলেছেন। ভাইচুং বলেন, ‘ভারতের বাইরে গিয়ে খেলতে হবে। এখানে খেলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে ফুটবলাররা। অন্য দেশের তুলনায় ভালো টাকাও পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশের ফুটবলারদের বিদেশে যেতে হবে। টাকার কথা ভাবলে চলবে না। সেখানে গিয়ে শিখতে হবে। এমন দেশে যেতে হবে, যারা ভারতের চেয়ে এগিয়ে। সেখানে গিয়ে শিখে ফিরে এসো। তরুণদের বিশেষ করে এই চেষ্টা করতে হবে।’

Bangla Photocard Generatorv3.7