Dhaka ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করায় তেলের দাম বাড়ল হাইকোর্টে বাড়ছে রিট নিষ্পত্তি: বিচারিক শৃঙ্খলায় কমবে মামলার চাপ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার : ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন : বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভা আজ সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী শত বাধা ও কঠিন পথ পেরিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক গুমের আগে কোথায় কীভাবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, রোমহর্ষক বর্ণনা

বাগমারায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকিট বাণিজ্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৪ Time View

হেলাল উদ্দীন, বাগমারা: রাজশাহীর বাগমারায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনো থামেনি টিকিট বাণিজ্য। টিকিট বাণিজ্য করে পকেটে তুলছেন লাখ লাখ টাকা। টিকিট বাণিজ্যের মূল হোতা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অফিস সহকারি রইচ উদ্দীন ও বহিঃবিভাগের টিকিট বুথের দায়িত্বে থাকা আনিছুর রহমান নামের এক মালি। টিকিট বিক্রিয় দায়িত্বে নির্ধারিত কোন লোক না থাকায় অফিস সহকারি রউচ উদ্দীন কৌশলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মালিকে দিয়ে টিকিট বিক্রয় করে থাকেন। বহিঃবিভাগের ডাক্তার দেখাতে আসা লোকজনকে টিকিট বুথ থেকে টাকার দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। টিকিটের নির্ধারিত ৩ টাকা মূল্য থাকলেও প্রতি টিকিট থেকে ৫ টাকা করে নেয়া হয়। এভাবেই প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি নেয়া হয় রোগীর নিকট থেকে। অনেক রোগী জানেন না টিকিটের সঠিক মূল্য। যারা জানে তারা টাকা ফেরত চাইলে তাদেরকে বলে খুচরা টাকা নেই। সেকারণে রোগীরা ৫ টাকা করে দিতে বাধ্য হয়।
৩ টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় বলে প্রতিদিন উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিড় করেন। প্রতিদিন প্রায় সব মিলিয়ে ৫০০-৬০০ জন রোগী বহিঃবিভাগে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। টিকিট বিক্রির অতিরিক্ত টাকা কোথায় যায় তার কোন খোঁজ নেই। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহিঃবিভাগের টিকিট নিতে গেলে মঙ্গলবার এক রোগীর সাথে কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয় টিকিট বুথে থাকা মালি আনিছুরের। রোগীর সাথে এমন ঘটনায় বিব্রত হয়ে পড়ে অন্য রোগীরা। টিকিট বুথ থেকে তাকে সরানোর দাবী করেন রোগীরা। অতিরিক্ত টাকা নেয়ার বিষয়ে বুথের দায়িত্ব পালনকারী আনিছুর রহমান জানান, আমি প্রতিদিনের টিকিট বিক্রির টাকা অফিস সহকারি রউচ উদ্দীনের কাছে জমা দিই। তিনি কি করে সেটা আমার জানা নেই। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারি রউচ উদ্দীনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ৩টাকা করে লিখে দিয়েছি প্রতি টিকিটের মূল্য। কেন বেশি নেয় সেটা জানিনা।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাফিউল্লাহ নেওয়াজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেছি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা নেয়া হয় কি না সেটা আমার জানা নেই। রোগীর সাথে খারাপ আচরণ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ওই সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাহিরে ছিলাম। তবে কি কারনে এমন ঘটনা ঘটেছে সেটা আমি জানিনা। কিছু ঘটে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাগমারায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকিট বাণিজ্য

Update Time : ০৬:১৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

হেলাল উদ্দীন, বাগমারা: রাজশাহীর বাগমারায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনো থামেনি টিকিট বাণিজ্য। টিকিট বাণিজ্য করে পকেটে তুলছেন লাখ লাখ টাকা। টিকিট বাণিজ্যের মূল হোতা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অফিস সহকারি রইচ উদ্দীন ও বহিঃবিভাগের টিকিট বুথের দায়িত্বে থাকা আনিছুর রহমান নামের এক মালি। টিকিট বিক্রিয় দায়িত্বে নির্ধারিত কোন লোক না থাকায় অফিস সহকারি রউচ উদ্দীন কৌশলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মালিকে দিয়ে টিকিট বিক্রয় করে থাকেন। বহিঃবিভাগের ডাক্তার দেখাতে আসা লোকজনকে টিকিট বুথ থেকে টাকার দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। টিকিটের নির্ধারিত ৩ টাকা মূল্য থাকলেও প্রতি টিকিট থেকে ৫ টাকা করে নেয়া হয়। এভাবেই প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি নেয়া হয় রোগীর নিকট থেকে। অনেক রোগী জানেন না টিকিটের সঠিক মূল্য। যারা জানে তারা টাকা ফেরত চাইলে তাদেরকে বলে খুচরা টাকা নেই। সেকারণে রোগীরা ৫ টাকা করে দিতে বাধ্য হয়।
৩ টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় বলে প্রতিদিন উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভার লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিড় করেন। প্রতিদিন প্রায় সব মিলিয়ে ৫০০-৬০০ জন রোগী বহিঃবিভাগে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। টিকিট বিক্রির অতিরিক্ত টাকা কোথায় যায় তার কোন খোঁজ নেই। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহিঃবিভাগের টিকিট নিতে গেলে মঙ্গলবার এক রোগীর সাথে কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয় টিকিট বুথে থাকা মালি আনিছুরের। রোগীর সাথে এমন ঘটনায় বিব্রত হয়ে পড়ে অন্য রোগীরা। টিকিট বুথ থেকে তাকে সরানোর দাবী করেন রোগীরা। অতিরিক্ত টাকা নেয়ার বিষয়ে বুথের দায়িত্ব পালনকারী আনিছুর রহমান জানান, আমি প্রতিদিনের টিকিট বিক্রির টাকা অফিস সহকারি রউচ উদ্দীনের কাছে জমা দিই। তিনি কি করে সেটা আমার জানা নেই। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহকারি রউচ উদ্দীনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ৩টাকা করে লিখে দিয়েছি প্রতি টিকিটের মূল্য। কেন বেশি নেয় সেটা জানিনা।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাফিউল্লাহ নেওয়াজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেছি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা নেয়া হয় কি না সেটা আমার জানা নেই। রোগীর সাথে খারাপ আচরণ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ওই সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাহিরে ছিলাম। তবে কি কারনে এমন ঘটনা ঘটেছে সেটা আমি জানিনা। কিছু ঘটে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7